স্থানীয় সংবাদ

সাবেক স্পীকার আব্দুল হাকিম-স্মৃতির সোনালী অধ্যায়: ফজলে রাব্বি মোপাসা

খুলনার এক কৃতি ব্যক্তিত্ব আব্দুল হাাকিম। এ অঞ্চলে স্পীকার আব্দুল হাকিম নামেই পরিচিত তিনি। রাজনীতি, আইন পেশা, সমাজ সেবা ও সাহিত্য চর্চা-সর্বক্ষেত্রেই ছিল তাঁর সগর্ব পদচারণা।
তাঁর জন্ম হয় তৎকালীন যশোর জেলার (বর্তমান নড়াইল জেলা) কালিয়া থানার টোনা গ্রামে। তাঁর জন্ম তারিখ ১লা ডিসেম্বর ১৮৯৮ ও মৃত্যু ১৯৬৮ সালের ১৩ জানুয়ারী।
তাঁর পিতার নাম ছিলো নাজিম মোল্লা, মাতার নাম ছিলো রব্বানী বেগম। তাঁরা ছিলেন তিন ভাই ও তিন বোন, যথাক্রমে আব্দুল হাকিম, এ.বি.এম জালাল উদ্দিন ও হারুন অর রশিদ এবং রাবেয়া বেগম, জাহানারা বেগম ও রওশানারা বেগম। তাঁর ছিলো ৪ পুত্র ও ৭ কন্যা।
তাঁর প্রাথমিক পর্যায়ের পড়াশুনা শুরু হয় নিজ গ্রাম থেকেই। শিক্ষা জীবনে তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। তিনি ম্যাট্রিক পাশ করেন কালিয়া স্কুল থেকেই। এরপর উচ্চ শিক্ষার জন্য চলে যান কলকাতায়। ১৯২১ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরাজীতে এম.এ পাশ করেন। এরপর ঐ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই তিনি আইনে ডিগ্রী নেন। তারপর ১৯২৬ সালে খুলনা এসে পেশা হিসাবে আইনকেই বেছে নেন। এবং এরপর থেকেই খুলনায় স্থায়ী হয়ে যান।
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী হলেও তিনি প্রধানত বিখ্যাত হয়ে আছেন রাজনীতির জন্য। তিনি ছিলেন বৃটিশ যুগ ও তৎপরবর্তী পাকিস্তান আমলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদ। শুধু খুলনা বা দক্ষিণবঙ্গই নয় তিনি ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের একজন স্বনামধন্য রাজনৈতিক নেতা।
বৃহত্তর রাজনীতিতে যোগ দেবার আগে তাঁর হাতেখড়ি হয় স্থানীয় কিছু সমাজ সেবামূলক কাজের মাধ্যমে। জানা যায় প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন সর্বভারতীয় ন্যাশনালিষ্ট রাজনীতির অনুসারী। ঐ সময় তিনি প্রায় সকল উদারপন্থী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় জার্মানী সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমন করলে-কমিউনিষ্ট পার্টির উদ্যোগে “সোভিয়েত সুহৃদ সমিতি” নামে একটি সংগঠন গড়ে উঠে। খুলনাতে তাঁর উদ্যোগেই এর শাখা স্থাপিত হয়। এ বিষয়ে আলোকপাত করে “ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে যশোর ও খুলনা” গ্রন্থে লেখা হয়েছে-দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্দের সময় হিটলার সোভিয়েত রাশিয়া আক্রমন করার পর ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টির উদ্যোগে “সোভিয়েত সুহৃদ সমিতি” খুলনা শহরে প্রখ্যাত আইনজীবি ও উদারপন্থী নেতা আব্দুল হাকিম এর নেতৃত্বে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
এরপর আব্দুল হাকিম ধাপে ধাপে বৃহত্তর রাজনীতির জগতে চলে আসেন। যোগ দেন কৃষক প্রজা পার্টিতে। এটা ছিলো বিভাগ পূর্ব যুগের একটা অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বাংলার অবিসংবাদিত নেতা শের এ বাংলা এ কে ফজলুল হক। শের এ বাংলা প্রথমে কংগ্রেস করতেন। পরে ১৯২৭ সালে তিনি গঠন করেন “নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতি” যা পরে “কৃষক প্রজা দল” নামে আত্মপ্রকাশ করে। আব্দুল হাকিম তখন উঠতি রাজনীতিবিদ, সম্ভাবনাময় তরুণ। তিনি এ দলে যোগ দিয়ে সাংগঠনিক ক্ষমতা দিয়ে অতি দ্রুত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বেরও আস্থাভাজন হয়ে উঠেন। ত্রিশের দশকের শুরু থেকেই দলটি বাংলার রাজনীতির পুরোভাগে চলে আসে।
তৎকালীন সময়ে খান এ সবুর, এস এম এ মজিদ তখনও মুসলীম লীগে যোগ দেননি। এ অঞ্চলে তখনও মুসলীম লীগের প্রভাব ততটা দানা বেঁধে উঠেনি। মুসলমানদের স্বতন্ত্র আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার দাবিটিও তখনও অস্পষ্ট। তারপর কৃষক শ্রমিক প্রজা দলের শ্লোগান ছিলো “জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ”–“ডাল ভাতের রাজনীতি” প্রভৃতি। এসব স্লোগান কৃষকদের মাঝে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। তারপর যশোরের সৈয়দ নওশের আলী, খুলনার আব্দুল হাকিম, বাগেরহাটের মোস্তাগাওছল হক প্রমুখের চেষ্টায় তথা ঐকান্তিক সাংগঠনিক তৎপরতায় তাতে আরো গতি আসে।
১৯৩৫ সালের ভারত আইন অনুসারে ১৯৩৭ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বৃহত্তর খুলনা জেলায় মুসলমান আসন ছিলো তিনটি। খুলনা সদরে কৃষক প্রজা দলের মনোনয়নে দাঁড়ান তিঁনি। খুলনা সদর আসনে মুসলীম লীগের প্রভাবশালী প্রার্থী সামসুর রহমানকে পরাজিত করে তিঁনি এম.এল.এ নির্বাচিত হন।
কৃষক শ্রমিক লীগ গঠনের পর বিভিন্ন জেলা সফর পরিকল্পনার এক পর্যায়ে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ১৯৫৩ সালের ২৮ শে নভেম্বর খুলনা আসেন। জনসভা হয় পৌর মিলনায়তনে। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন আব্দুল হাকিম। শেরে বাংলা দীর্ঘ সময় ধরে আবেগপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। এ বিষয়ে তাঁর অন্যতম সহচর বিডি হাবীবুল্লাহ লিখেছেন “ শেরে বাংলা জনসমুদ্রে ভাবের বন্যা আবেগের উদ্বেল তরঙ্গ সৃষ্টি করলেন যার আঘাতে মুসলীম লীগের টাইটানিক গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে গেল।”
মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য বিরোধিরা যে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন- কৃষক শ্রমিক লীগ ছিলো তার অন্যতম শরিক দল। নির্বাচনে ২৩৭ টি আসনের মধ্যে ২২৩ টি আসন লাভ করে। এরমধ্যে কৃষক শ্রমিক দল পায় ৪৮টি আসন। বৃহত্তর খুলনা থেকে যে ৮ জন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তাঁরা সবাই বিজয়ী হন। এরমধ্যে অন্যতম ছিলেন আব্দুল হাকিম। তিনি খান এ সবুরকে হারিয়ে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৫৪ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও মুসলিম লীগের চক্রান্তের কারণে যথাসময়ে স্পীকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। পরে পূর্ব বাংলার আইন পরিষদে স্পীকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক দলীয় আব্দুল হাকিম ১৭০ ভোট পেয়ে স্পীকার এবং ১৭৭ ভোট পেয়ে দলের শাহেদ আলী ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হন।
আব্দুল হাকিম এর স্পীকার নির্বাচিত হওয়া এ অঞ্চলের জন্য একটা আনন্দের ঘটনা। এর আগে এখানকার কেউ এত বড় পদে আসীন হননি।
রাজনীতির মত আইন পেশাতেও তিনি ছিলেন খুবই খ্যাতিসম্পন্ন মানুষ। খুলনা বারে যোগ দিয়ে অল্পদিনের মধ্যেই তিনি একজন দক্ষ অত্যন্ত জনপ্রিয় আইনজীবি হয়ে উঠেন। তিনি এ পেশায় আত্মনিয়োগ করেন ১৯২৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী। প্রকৃতপক্ষে একজন আইনজীবির যে সব গুণ থাকা দরকার সবগুলিই তাঁর ছিলো। ইংরাজীতে তাঁর দক্ষতা ছিলো অসাধারন। তিনি আদালতে সাওয়াল-জবার করতেন ইংরাজীতে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে তাঁর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন ছিলো সংক্ষিপ্ত অথচ বস্তুনিষ্ঠ ও অকাট্য। বলা হয় তিঁনি যখন আদালতে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন মামলার যুক্তিতর্ক তুলে ধরতেন তখন তাঁর বাচনভঙ্গি, সুমিষ্ঠ কণ্ঠস্বর সমৃদ্ধ অথচ সহজবোধ্য ইংরাজী ভাষার ব্যবহার প্রতিটি শব্দের নিখুঁত উচ্চারন, প্রখর বুদ্ধিমত্তা ও দৃঢ় প্রত্যয়ী মনোভাব আদালতের সবাইকে মুগ্ধ করতো। বিচারকরাও তাঁর বাইরে ছিলেন না। জুনিয়র আইনজীবীরা তাঁর যুক্তি-তর্ক শোনার জন্য আদালতে ভীড় জমাতেন। এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি থেকে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য তাঁরা নোট রাখতেন।
১৯৪৮ সালে দক্ষিনবঙ্গের প্রবাদপ্রতিম কৃষক নেতা বিষ্ণু চ্যাটার্জিও বিরুদ্ধে “জামাল হত্যা মামলা” নামে একটি মামলা দিয়ে পাক সরকার তাকে ফাঁসিতে ঝোলানোর চক্রান্ত করে। আব্দুল হাকিম ও শহীদ রাজনীতিবিদ আব্দুল জব্বারের সাহসী প্রচেষ্টায় তিনি এ মামলা থেকে অব্যহতি পান। শুধু তাই নয় ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময়ও যারা এতে অংশ নিয়ে গ্রেফতার হন, তাঁদের জন্যও তিনি বিনা ফিসে স্বতোপ্রনোদিত হয়ে মামলা পরিচালনা করে ব্যতিক্রমধর্মী নজির সৃষ্টি করেন।
তিনি পরিচিত ছিলেন “গরীবের বন্ধু” নামে। বহু জনহিতকর কাজের সাথে তিঁনি যুক্ত ছিলেন। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে তিনি ছিলেন অত্যান্ত নিবেদিত প্রাণ।
খুলনা শহরস্থ পল্লী মঙ্গল স্কুল ও খুলনা “ল” কলেজ এর কথা উল্লেখ করা যায়।
তাঁর প্রচেষ্ঠাতেই ১৯৪০ সালে পল্লী মঙ্গল স্কুলটি স্থাপিত হয়। সে সময়ে গোবরচাকা একটি পল্লীগ্রাম ছিলো। তাই তিনি স্কুলের নাম দিয়েছিলেন পল্লীমঙ্গল স্কুল। ১৯৪০ সালে এই স্কুলের প্রথম ব্যাচের ছাত্র বিশিষ্ট গণিতবিদ প্রফেসর হারুন অব রশিদ বলেছেন “আব্দুল হাকিম অবসর জীবনে এই স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি লিখেছেন আমরা যখন নবম দশম শ্রেণীর ছাত্র, তখন তিনি আমাদের ডড়ৎফংড়িৎঃয- খঁপু চড়বসং পড়িয়েছেন।
তাছাড়া সিটি “ল” কলেজেরও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। এ কলেজ স্থাপনের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়, এক নন্বরে তাঁর নাম ছিলো। আব্দুল হাকিম এ কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ মনোনীত হন। শূণ্য থেকে শুরু করে তিনি একে তিল তিল করে গড়ে তোলেন।
সাহিত্য ক্ষেত্রেও তাঁর ছিলো সগর্ব পদচারণা। মূলত তিনি একজন কবি, তিনি ইংরাজী যেমন ভাল জানতেন তেমনি ইংরেজী সাহিত্যেও তাঁর ভাল দখল ছিলো। তিনি ইংরাজীতে কাজি নজরুলের “অগ্নিবীনা”” কাব্যের অনুবাদ করেন। এটি ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমী কর্তৃক প্রকাশিত হয়। খুলনা জেলার আইনজীবি সমিতির শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকা “শতাব্দি”তে লেখা-

Mr. Abdul Hakeem a man of versaile geneous in the domain of legal practice. He was second to none amongst his contimproraries. He was a Litterateur per excellence. He composed verses/poems in English about the lives and activities of as many as 155 members of the Ben which lying unpublished. He also translated the Kazi Nazrul Islam’s memorable poems “Agnibina” in English.

He made his markas the speaken of East Pakistan Assembly.

তাছাড়া তিনি খুলনা বারের ২০০ আইনজীবিকে নিয়ে ইংরাজীতে যে কাব্য রচনা করেন তাও তার প্রতিভার উজ্জ্বল স্বাক্ষর বহন করেছে। ২০০৫ সালে এ্যাড. স.ম.বাবর আলীর সম্পাদনায় গ্রন্থটি মুদ্রিত হয়েছে।
তিনি সাহিত্য সংগঠনের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। খুলনার সাড়া জাগানো সাহিত্য সংগঠন “সন্দিপন” এর তিনি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। দলমত নির্বিশেষে খুলনায় প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানেই তাঁর বক্তৃতা শোনবার জন্য সকলে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতো। তার বক্তৃতা ছিলো মনমুগ্ধকর ইন্দ্রজালস্বরূপ। তিনি বক্তৃতায় ভাবে-ভাষায়-অলংকারে-অনুপ্রাসে-কল্পনায় এবং তাঁর অপূর্ব বাচনভঙ্গিতে সবাইকে সমোহিত করে রাখতেন। এ বিষয়ে সাহিত্যিক আব্দুল হালিমের মূল্যায়ন-
সভা সমিতিতে তাঁর যে দু’একটা বক্তৃতা শুনেছি তাতে তাঁর জ্ঞানের গভীরতার পরিচয় পেয়েছি। বিশেষ করে খুলনা সাহিত্য পরিষদের ১৯৬৬ সালের বাৎসরিক সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে শেলী বায়রন সেক্সপীয়ার থেকে আরম্ভ করে রবীন্দ্র সাহিত্যেও তাঁর জ্ঞানের গভীরতা দেখে এক সাহিত্যিক বন্ধু উচ্ছ্বাস করে বলেছিলেন-মহাসাগরের নাম শুনেছি কিন্তু দেখি নাই, আজ তার পরিচয় পেলাম-
তিনি মারা যাবার কয়েক মাস পূর্বে তাঁর সহকর্মী আইনজীবিদের উদ্দেশ্যে The Comrede নামে একটি দীর্ঘ ইংরাজী কবিতা লেখেন, যার শেষ কয়েকটি লাইন তিনি তাঁর কবরে ইপিটাফ হিসেবে ব্যবহার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।

Here Lies He Who Loved Mankind Like A Lover

True To His Great Task Master.

এই তিন লাইনেই বোঝা যায় তিনি কতবড় মানের মানুষ ছিলেন। তাছাড়া তিনি তাঁর ছোট বড় সহকর্মীদের নিয়ে চারশোর উপরে ইংরাজীতে কবিতা লিখে গেছেন, যার দুইশো কবিতা The Lawyers বইতে লিপিবদ্ধ হয়েছে।
খুলনার এই বিখ্যাত মানুষটির কর্মময় জীবন ছিলো অবর্ণনীয়। তাঁর দক্ষতা দিয়ে তৎকালীন সময়ে খুলনাকে পরিচিত করে গেছেন আপন মহিমায়। অথচ তিনি ছিলেন আজীবন প্রচার বিমুখ মানুষ। আমরা এই প্রচার বিমুখ মানুষটির জন্য খুলনায় তার নামে কিছুই করতে পারিনি। আজ এত বছর পরে তাঁর প্রতিষ্ঠিত পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে মরোণোত্তর সন্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমাদের ভাবতে হবে-ভাবার সময় হয়েছে তার নামে আরো কিছু করা যায় কি না। খুলনা শহরের কোন রাস্তার নাম পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে না- খুলনা বাসীর কাছে এই প্রস্তাব- পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন রাস্তাটির নামকরণ “আব্দুল হাকিম স্মরণী” করা যায় কিনা।।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button