জাতীয় সংবাদ

বিমানের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে বহিষ্কার ১১

প্রবাহ রিপোর্ট : বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের ট্রাফিক হেলপার (ক্যাজুয়াল) পদে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় প্রার্থীদের বদলে অন্য ব্যক্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করায় ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।গতকাল শনিবার দুপুরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মিডিয়া বিভাগের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।এতে জানিয়েছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের ট্রাফিক হেলপার (ক্যাজুয়াল) পদে লিখিত পরীক্ষা ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেদিন বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজ, জাহাঙ্গীর গেট, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এবং সিভিল এভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, তেজগাঁও, ঢাকা—এই দুই কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।বিমান আরও জানিয়েছে, পরীক্ষায় মোট ১১ (এগারো) জন পরীক্ষার্থীকে বিভিন্ন ধরনের অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়। এর মধ্যে বিএএফ শাহীন কলেজে সাত জন এবং সিভিল এভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজে চার জন পরীক্ষার্থী অন্তর্ভুক্ত। পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করায় রুবা আক্তার, সাজাহান হোসেন সজিব ও ইমামুল হক বহিষ্কার করা হয়। প্রবেশপত্রে ছবির অমিল থাকায় মো. ফরহাদ হোসেন ফিরোজ ও মো. লাবিব হাসানকেও বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া অন্যের হয়ে পরীক্ষা দেওয়ায় মো. শাহিন মিয়া, আবদুস সোবাহান ও মো. রেজওয়ানকে বহিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় মো. মোকসেদুল ও মো. নজরুল ইসলাম এবং একই প্রবেশপত্র ব্যবহার করে দুজন পরীক্ষা দেওয়ায় আসাদুল ইসলাম উৎসকে বহিষ্কার করা হয়।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড এই ঘটনায় মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও ও কাফরুল থানায় মামলা দায়ের করেছে। এর মধ্যে ৫ জন প্রক্সি পরীক্ষার্থী হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। বিএএফ শাহীন কলেজ কেন্দ্রে নূর মোহাম্মদ মোল্লারপ্রবেশপত্র ব্যবহার করে পরীক্ষা দেয় ইসমাইল হোসেন, শারমিন আক্তারের প্রবেশপত্র ব্যবহার করে পরীক্ষা দেয় মোছা. শারমিন নাহার এবং প্রশ্নপত্রের ছবি তোলার দায়ে ধরা পরে মো. হানিফ আলী। অন্যদিকে, সিভিল এভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে আব্দুস সোবহানের প্রবেশপত্র ব্যবহার করে পরীক্ষা দেয় মো. রেজাউল ইসলাম, মো. রেজওয়ানের প্রবেশপত্র ব্যবহার করে পরীক্ষা দেয় সাদ্দাম হোসেন এবং মো. নজরুল ইসলামেরপ্রবেশপত্র ব্যবহার করে পরীক্ষা দেয় মাহামুদুল হাসান। প্রক্সি পরীক্ষার্থীদের আটক এবং মূল পরীক্ষার্থীদের পলাতক দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।এবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়োগ পরীক্ষায় যেকোনো ধরনের অসদুপায় রোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং এ বিষয়ে কঠোরভাবে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button