জাতীয় সংবাদ

আমি বক্তব্য শুরু করার ১-২ মিনিট পরেই বিদ্যুৎ চলে যায়: সারজিস আলম

প্রবাহ রিপোর্ট : গত একমাসে পঞ্চগড়ে ৩টি প্রোগ্রামে অংশ নেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। আর প্রতিবারই তিনি বক্তব্য শুরু করার ১-২ মিনিটের মধ্যেই বিদ্যুৎ চলে যায়। সর্বশেষ গত শনিবার পঞ্চগড়ে পথসভায় বক্তব্য শুরু হওয়ার কিছু সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটলে চটে যান সারজিস আলম। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, এই রাজনৈতিক দেউলিয়াদের আমরা দেখে নেব – তাদের কলিজা কত বড় কলিজা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে রাখব। আর এই বক্তব্যের পরেই সমালোচনার শিকার হন তিনি। এরপরে গতকাল রোববার বিকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ওই বক্তব্যে তিনি যে ‘উপমা’ ব্যবহার করেছেন, তা করা উচিত হয়নি বলে উল্লেখ করেন সারজিস। পোস্টে সারজিস আলম লিখেছেন, বিগত এক মাসে পঞ্চগড় জেলায় এনসিপি ৩টি প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামে যখন আমি বক্তব্য দেয়া শুরু করি তার এক দুই মিনিট পরে বিদ্যুৎ চলে যায়। প্রথমবার যখন হয়েছিল কিছু বলিনি। মনে হয়েছিল এটা হতেই পারে। দ্বিতীয়বার যখন একই ঘটনা ঘটে তখনও কিছু বলিনি, কিন্তু তাদের ইনটেনশন নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। তিনি আরও লিখেছেন, গতকাল আবার একই ঘটনা। প্রোগ্রামের আগে-পরে নয়, অন্য কারো বক্তব্যের সময় নয়। ঠিক আমি যখন কথা বলা শুরু করি তখন আবার বিদ্যুৎ চলে যায়। কথা বলা শেষ হলে বিদ্যুৎ চলে আসে। সকল মিডিয়া এটার সাক্ষী। এনসিপির এই নেতা আরও লিখেছেন, তিনটি প্রোগ্রাম তিন দিন ভিন্ন সময় হয়েছে। তারপরও যখন এই ধরনের ঘটনা ঘটে তখন আমি অবশ্যই মনে করি এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সেক্টরের কিছু কর্মকর্তা এই ধরনের ছোটলোকি কিংবা অন্য দলের দালালিমূলক আচরণ করে থাকে। একজনকে ডিস্টার্ব করতে পারলে তাদের রাজনৈতিক সফলতা মনে করে। সারজিস লিখেছেন, প্রত্যেকবারই প্রোগ্রামের আগে তাদেরকে প্রোগ্রাম সম্পর্কে বলে রাখা হয়। প্রোগ্রামের পরেও ভদ্র ভাষায় বলা হয়েছে। কিন্তু তারপরও যখন একই চিত্র দেখা যায় তখন তাদের সাথে সুশীলতা প্রদর্শন করা প্রয়োজন মনে করিনা। তবে ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে যে উপমা ব্যবহার করেছি সেটা করা উচিত হয়নি বলে মনে করি। চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, সিন্ডিকেট, দুর্নীতি ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে এনসিপির পক্ষ থেকে লং মার্চে ১০ ঘন্টা ধরে প্রায় দুই হাজার মানুষ মোটরসাইকেলে করে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলতে পুরো পঞ্চগড় জেলার ১৫০ কিলোমিটার অতিক্রম করেছি। আশা করি মিডিয়ার ফোকাস সেদিকেও থাকবে।

 

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button