মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির মুখোশ উন্মোচন করা দেশপ্রেমিক নাগরিকের দায়িত্ব: তুহিন

# ৩০নং ওয়ার্ডে বিএনপির সাংগঠনিক সভা #
খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, ধর্মকে ব্যবহার করে একটি অপশক্তিকে ক্ষমতায় আসতে চাচ্ছে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সর্তক থাকতে হবে। যারা ধর্মের নামে ভোট চায়, তাদের ১৯৭১ সালের ভূমিকা নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী সেই অপশক্তি এখনো ছদ্মবেশে সক্রিয়। তাদের মুখোশ উন্মোচন করা প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের দায়িত্ব। রবিবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে খুলনা মহানগরীর ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তুহিন বলেন, সারাদেশে এখনো বিএনপির নামে ষড়যন্ত্র চলছে। বিএনপির জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে পতিত সরকার ও তাদের দোসররা। তবে এসব ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে হবে গণতন্ত্রের শক্তিতে, জনগণের ভোটের মাধ্যমে। তিনি আরও বলেন, “ধানের শীষ শুধু একটি প্রতীক নয়-এটি জনগণের আশা, অধিকার ও মুক্তির প্রতীক। তাই ঘরে ঘরে গিয়ে মা-বোনদের আহ্বান জানাতে হবে, ভোটের মাধ্যমে এই দেশের মানুষ যেন আবারও গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার অধিকার ফিরে পায়।” সভায় বক্তারা বলেন, পতিত সরকারের দমন-পীড়ন ও মিথ্যা মামলার মধ্যেও বিএনপি নেতাকর্মীরা আন্দোলনের ময়দানে অবিচল ছিলো। জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলের পক্ষে কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও ভোটারদের কাছে ধানের শীষের পক্ষে সমর্থন আদায়ের আহ্বান জানানো হয়। এবারের নির্বাচন এতো সহজ হবে না। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিএনপির নেতাকর্মীদের এলাকায় কাজ করতে বলেছেন। তাই আর ঘরে বসে না থেকে যার যার এলাকায় ধানের শীষের ভোট নিশ্চিতে এখন থেকেই কাজ করতে করতে হবে। ‘স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ক্ষমতায় আসলে এই দেশটাকে তালেবান বানিয়ে ফেলবে। তারা পাকিস্তানি হয়ে কাজ করবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক সওগাতুল আলম সগীর এবং সভা পরিচালনা করেন ওয়ার্ড বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান লিটন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সৈয়দা নারগিস আলী, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, কে. এম. হুমায়ুন কবির, নাসির উদ্দিন এবং ইশতিয়াক উদ্দিন লাভলু। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মাসুদুল হক হারুন, জাহাঙ্গীর হোসেন, মনজুরুল আলম, কে. এম. জলিল, মঈনুল ইসলাম কিরন, মিজানুর রহমান বাবু, নাজমুল ইসলাম শামিম, নুর ইসলাম নুরু, ইয়াকুব মোল্লা, রবিউল ইসলাম রবি, রবিউল ইসলাম সাগর, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ফারুক হোসেন, ওয়াহেদা পারভিন রুমানা, শায়লা পারভিন রিক্তা, নাজমা কবির, নাসরিন সুলতানা বিপাশা, পারভিন বেগম, চান্দা বেগম, নাজমুল হক, সেলিম কাজি, আহসান কবির মুনির, কিরন, বাদল, সাঈদ, বিউটি আক্তার প্রমুখ।



