খালিশপুরে ফ্যাসিস্ট আরজুর অত্যাচার ঝুলুম কমেনি

# অত্যাচার থেকে রেহাই পাচ্ছে না নিকটজনরা #
স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরীর খালিশপুরে ফ্যাসিস্ট আরজুর নেতা ও সহযোগিরা ৫ আগস্টের পর পালিয়ে গেলেও তার দাপট এখনও কমেনি। তিনি দাপটের সাথেই হাউজিং বাজারে মাংস ব্যবসা করছেন। উল্টো তার দাপটে গত আ’লীগ আমলে যারা নির্যাতনের ভয়ে নিরব থাকতেন সেসব নির্যাতিত মানুষের ওপর তার ঝুলুম অত্যাচার এখনও চলছে। তার বেপরোয়া আচরণের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না আরমান কোরাইশী গুড্ডু নামের তার নিকটজন। এ ঘটনায় আরমান কোরাইশী গুড্ডু খালিশপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। গতকাল দাখিলকৃত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, “গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় মোঃ আরজু কোরাইশি (৫৩) ও ইমরান কোরাইশি হিরো (৪০) দু’জন মিলে সামান্য বিষয় নিয়ে আমার সাথে তর্ক বিতর্কের লিপ্ত হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ১নং বিবাদী তার মাংসের দোকানে থাকা চাপাতি ও ২নং বিবাদী দোকানের সামনে থাকা ইটের আধলা নিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসে। এ সময় হাউজিং বাজারে আগত শত শত ব্যক্তিবর্গ এগিয়ে আসায় আমি প্রানে বেঁচে যাই। বর্তমানে বিবাদীরা এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে আমাকে মারধরসহ প্রানে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করছে। আমি ধারনা করছি বিবাদীরা আক্রোসের বসবর্তী হয়ে যে কোন মুহুর্তে তাঁদের মাংস ব্যবসায় ব্যবহৃত চাপাতি, ধারালে ছুরি দিয়ে আমার বড় ধরনের ক্ষতিসহ প্রাননাশ ঘটাতে পারে। বিধায় আমার জীবনের নিরাপত্তাসহ তায় বিচার পেতে আপনার থানায় অত্র অভিযোগ দায়ের করলাম।” ভীতসন্ত্রাস্ত গুড্ডু আরো বলেন, আরজু কসাই ১২নং ওয়ার্ড আ’লীগের খাস কর্মী ছিলেন। বিগত দিনে দলের ক্ষমতা অপব্যবহার করে বাজারের মাংস ব্যবসায়ীসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীদের নির্যাতন করতেন। ৫ আগস্টের পর ফ্যাসিস্ট আ’লীগের নেতারা পালিয়ে গেলেও কসাই আরজু না পালিয়ে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তিনি তার দাপট ধরে রেখেছেন। বিগত দিনে তার নির্যাতনে হাউজিং বাজারের মাংস বিক্রেতা থেকে শুরু করে সাধারণ ব্যবসায়ীরা ছিলেন আতংকে। তিনি বাজারের মাছ চান্দীতে চামড়া রেখে পরিবেশ দুর্গন্ধ করেন। তার অপকর্মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সবজি বিক্রেতা সোহাগসহ অনেকে নির্যাতনে শিকার হয়েছেন। কসাই আরজু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি বিগত দিনে বাধ্য হয়ে আ’লীগের মিছিল মিটিং-এ যেতেন। এ জন্য তাকে ৫ আগস্টের পর জেলও খাটতে হয়েছে। তার ছোটভাই গুড্ডুকে তৃতীয় পক্ষ ইন্ধন দিয়ে এসব অভিযোগ করাচ্ছে।



