স্থানীয় সংবাদ

দ্রুত ভিত্তিতে জুলাই সনদ কার্যকর করতে হবে -মাওলানা আবুল কালাম আজাদ

# কয়রায় বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবিরের উদ্বোধন #

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করা আমাদের ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও আমি এ ধরনের সামাজিক সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখব ইনশাআল্লাহ। ‘জুলাই সনদ’ দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়ে তিনি ব লেন, জুলাই অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা আহত হয়েছেন, তাদেরকে আইনি স্বীকৃতি দিয়ে অবিলম্বে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশে যে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে তাকে টেকসই করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা ‘জুলাই সনদ’ দ্রুততম সময়ে কার্যকর করা অপরিহার্য। শনিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় কয়রা ঘুগরাকাটি সিনিয়র ফাযিল (ডিগ্রি) মাদরাসার মাঠে দিনব্যাপী ‘গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতাল’ এর উদ্যোগে বিনা মূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। বাগালী ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি শরিফুল ইসলামের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, জেলা সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান, কয়রা উপজেলা আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি শেখ সায়ফুল্লাহ, ঘুগরাকাটি সিনিঢর ফাযিল (ডিগ্রি) মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা সুজাউদ্দীন আহমেদ এবং ঘুগরাকাটি তরুণ সংঘের উপদেষ্টা সালাহউদ্দীন আহমেদ। চক্ষু শিবিরে গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের ডা. শামীম হোসেন আল মাহমুদ ও আরাফাত হোসেনের নেতৃত্বে নয় সদস্য বিশিষ্ট একটি চিকিৎসক দল তিন শতাধিক রোগীকে চক্ষু চিকিৎসা প্রদান করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ২০ জন রোগীকে ছানি ও নালী অপারেশনের জন্য সাতক্ষীরার গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। স্থানীয় এলাকাবাসী এমন মানবিক উদ্যোগের জন্য গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। খুলনা-৬ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এই লড়াইয়ে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদানকে জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। শহীদদের রক্তের মর্যাদা রক্ষা এবং আহতদের যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তাদের আইনি স্বীকৃতি দিতে হবে। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় যেন কোনো রকম দীর্ঘসূত্রিতা না হয় সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটিয়ে অবিলম্বে এই সনদ কার্যকরের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসতে হবে। জুলাই সনদে যেসব সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়িত হলে দেশে সুশাসন ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button