স্থানীয় সংবাদ

যশোরে সরকারি সাড়ে ১২ শতক জমি বেদখলের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

যশোর ব্যুরো ঃ শহরের প্রাণ কেন্দ্র দড়াটানা মোড়ে তাজ¯œ্যাকসসহ সরকারি জমি অবৈধ দখল রেকর্ড জালিয়াতি সংক্রান্ত তদন্ত ও সরকারি জমি পুনরুদ্ধারের ব্যব¯’া গ্রহনের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারক লিপি দিয়েছে। স্মারক লিপি প্রদান করেন, যশোর শহরের ২০,আবু তালেজ সড়০ক,পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এর বাসিন্দা মোঃ আফজাল হোসেন।
স্মারক লিপিতে তিনি উল্লেখ করেন, যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্র দড়াটানা মোড়ে তাজ ¯œ্যাকস থেকে মুজিব সড়কের আইনজীবি সমিতি পর্যন্ত প্রায় ১২.৫ শতক জমি দীঘদিন ধরে শাহীন,মিঠু গং জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানিয়েছেন, ১৯২৬ সালে তৎকালীন কালেক্টরেটের নাজির নাজের বিশ্বাস ১ বছরের জন্য উক্ত জমি লিজ নেন। এরপর থেকে উক্ত জমি ভোগদখলে থাকার পর ১৯৩৬ সালে আব্দুল মজিদ বিশ্বাস ১ বছরের জন্য লিজ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন। এর ১৯৫৮ সালে আব্দুল মজিদ বিশ্বাস ১০ বছরের জন্য লিজ নিলেও তিনি কালেক্টরেটের নাজির হওয়ায় রেকড বই কেটে-ছিড়ে বেআইনিভাবে ৩০ বছর করেন। পরবতীতে তিনি সরকারি সকল রেকড থেকে উক্ত জমির তথ্য মুছে ফেলে জমিটি বর্তমানে পতিত সম্পত্তি.অর্পিতসম্পতি বা এনিমি সম্পত্তি হিসেবে কোন রের্কড পাওয়া যায়নি। অথচ পুরানো রের্কড অনুসন্ধান করে প্রমাণ মেলে ও জমিটির প্রকৃতি মালিক যশোর জেলা প্রশাসক। সূত্রগুলো আরো জানিয়েছেন, ১৯৮৮ সালের ১১ মে আরো একটি ৩০ বছরের লিজ দেখানো হয়েছে। তবে সেখানে অতিরিক্ত জেল প্রশাসকের পক্ষে যে কর্মকর্তার স্বাক্ষর রয়েছে,তার নাম পদবী বা পরিচয় কোন কিছুই উল্লেখ নেই। সরকারি কোন রের্কড বইতে ১৯৮৮ সালের ১১ মে লিজের বিষয়ে সরকারি রেকর্ডে নথিভূক্ত করা হয়নি। এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে পুরো প্রত্রিয়াটি জাল-জালিয়াতি.দূর্ননীতি ও প্রতারণা মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া, সম্প্রতি উক্ত জমির আর এস জরিপে উক্ত সরকারি জমিটি ব্যক্তি মালিকানাধীন নামে রেকর্ড করা হয়েছে বা সরকারিক সম্পত্তি আত্মসাত ও রের্কড জালিয়াতির স্পষ্ট উদহারণ। তিনি আরো উল্লেখ করেন জাল-জালিয়াতি চক্রটি দীর্ঘদিন যাবত জালিয়াতির মাধ্যমে উক্ত সরকারি জমি নিজের নামে জাল দলিল ও খতিয়ান প্র¯‘ত করে দখল করেছে। লিজকৃত সম্পত্তি ভাড়া দেওয়া আইনত নিষিদ্ধ হলেও চক্রটি উক্ত জমিতে দীর্ঘদিন যাবত পাকা দোকান ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরীকরে ভাড়া দিয়ে তাদের কর্মকাান্ড চালিযে যা”েছন। সরকার শুধু জমি দখল হারায়নি বরং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্র¯’ হয়েছে। বিষয়টির ব্যাপারে সরেজমিনে দিয়ে দেখা যায়,তাজ¯œ্যাকসগ্রুপ জালিয়াতিয়ার মাধ্যমে উক্ত সরকারি জমি আরএস রের্কডে নিজেদের নামে করলেও পৌরভূমি অফিস উক্ত জমির খাজনা গ্রহন করেনি। সেই ক্ষেত্রে সরকার এখনও জমিটিকে সরকারি সম্পত্তি হিসেবে গন্য করছে। তাছাড়া,সরকারি এই জমিটি দখল মুক্ত করতে পারলে শহরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি,রাস্তা সম্প্রসারণ ও প্রতিনিয়ত যশোর শহর যানজটের কবলে পড়ে তা থেকে মুক্ত হবে। যশোরের বিভিন্ন পেশার মানুষ সরকারি এই সম্পতি দখল মুক্ত হোক এই কামনা ও প্রত্যাশা করে।#

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button