তোয়া ফুড গার্ডেন ও তোয়া সিটি মার্কেট নিয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ

সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন মিডিয়ায় নগরীর লোয়ার যশোর রোডে অবস্থিত (নিউ মার্কেটের বিপরীতে) তোয়া ফুড গার্ডেন ও তোয়া সিটি মার্কেট নিয়ে অব্যাহত মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ও প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরছি।
নগরীর লোয়ার যশোর রোডে আমাদের পৈত্রিক জমি দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়েছিল। কয়েক মাস আগে নগরীর বিভিন্ন এলাকার তরুণ ফুডকার্ট ব্যবসায়ীরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারা জানায়, জিয়া হলের ফাঁকা অংশে, নিউ মার্কেট মসজিদ, শিববাড়ি মোড়সহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় তারা বিচ্ছিন্নভাবে ব্যবসা করছেন। এসব স্থানে বিদ্যুৎ, পানি ও পার্কিংয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। খোলা জায়গা ব্যবসা করতে গিয়ে তারা চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছেন। তারা ফাঁকা জমিতে অল্প ভাড়ায় ফুডকার্ট চালুর প্রস্তাব দিলে আমি রাজি হই। একই সঙ্গে পাশের জমিতে মার্কেট নির্মাণ করি এবং নাম দেই তোয়া ফুড গার্ডেন ও তোয়া সিটি মার্কেট।
সরকারের আইন মেনে মার্কেট চালুর আগে আমি সব ধরনের সরকারি দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। এজন্য কেসিসির কাছ থেকে তোয়া সিটি মার্কেটের জন্য পৃথক ট্রেড লাইসেন্স (যার নং-২১/৩৯১২) এবং তোয়া ফুড গার্ডেনের জন্য পৃথক ট্রেড লাইসেন্স (যার নং-২১/৩৯০৯) নেওয়া হয়েছে।
তোয়া সিটি মার্কেট, তোয়া ফুড গার্ডেন ও তোয়া পার্কের জন্য আয়কর সনদ নেয়া হয়েছে। যার টিন নং (৭৭০—-২২৫)। ভ্যাট রেজিস্ট্রেশনের জন্যও পৃথক আবেদন করা হয়েছে। এর মধ্যে তোয়া ফুড গার্ডেনের সাবমিশন আইডি (৬—৯০৪১৪) এবং তোয়া সিটি মার্কেটের সাবমিশন আইডি (৬—৯০৪১৬)।
গত ১ অক্টোবর থেকে মার্কেট ও ফুড গার্ডেন চালু হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও বেকাররা নামমাত্র মূল্যে দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছে। কয়েকদিন ধরে আমার মার্কেটের সঙ্গে রাসেল নামে এক ব্যক্তির নাম জড়িয়ে সংবাদ প্রচার হচ্ছে। এটি আওয়ামী লীগের বলে প্রচার করা হচ্ছে। আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, মার্কেটের সঙ্গে আওয়ামী লীগ বা রাসেল নামের কোনো ব্যক্তির নূন্যতম সম্পর্ক নেই।
মার্কেট চালুর আগে থেকেই বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী অন্যায্য আবদার অব্যাহত রেখেছে। আবদার পূরণ না হলে তারা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। আমি এসব সংবাদের প্রতিবাদ এবং অন্যায় দাবির বিষয়ে আইনশৃংখলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।



