পাইকঘাছার দেলুটিতে নিয়ে পরিকল্পিত হত্যার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপাের্টারঃ পাইকগাছার দেলুটিতে নিয়ে পরিকল্পিত হত্যার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, নিহত রানার ভাই আসাদুজ্জামান আকাশ। লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয় “আমরা নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা। আমার পিতা একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষ। নগরীর ডাকবাংলায় তার রয়েছে একটি গ্রিল তৈরির দোকান। আমার অনান্য ভাইয়েরা ওই দোকানে কাজ করে আমরা সংসার পরিচালনা কারি। আমার ভাই রানা খলিফাও ওই দোকানে কাজ করে। গত ১৪ অক্টোবর বেলা ১১ টার দিকে রানা বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় জানিয়ে যায় যে, তার বন্ধু শাহীন ফোন দিয়েছে। তার সাথে বাহিরে যায়। এরপর বিকেল ৪টার সময় ফোনে জানায় যে, সে পাইকগাছায় আছে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পর থেকে রানার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। আমরা শাহীন সহ বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করি। এক পর্যায়ে শাহীন আমাদের খবর দেয় যে, রানা ইকরামের সাথে আছে। বিষয়টি আমাদের একাধিক বার শাহীন জানায়। ১৫ অক্টোবর সকাল সাড়ে এগারোটায় আমার শালা রাজু আমার বাড়িতে আসে, তখন রাজুকে খুব চিন্তিত ও হতাশাগ্রস্থ মনে হচ্ছিল। তখন আমি রাজুকে বলি ঘরের গিয়ে গোসল করে খাওয়া-দাওয়া করে নেও। রাজু খাওয়াকালিন সময়ে আমি তার কাছে জানতে চাই তার কাছে কী শাহীনের আর কোন মোবাইল নম্বর আছে কি/ না। তখন রাজু বলে শাহীনের একটি নম্বর। তখন আমি বলি রানা গত ১৪ আক্টোবর শাহীনরে সাথে বাড়ি থেকে বের হয়েছে কিন্তু এখন ও বাসায় আসেনি। তখন রাজু আমাকে বলে রানা ইকরাম দাদার সাথে আছে। তখণ আমি বলি তুই জানলি কি করে? তখন রাজু বলে আমিও ঐখানে ছিলাম। পরে রাজু আমার বাড়ি থেকে তার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে চলে যায়। কোথায় যাচ্ছিস তাকে এই প্রশ্ন করলে , সে উত্তরে বলে আমার একটি কাজ আছে আমি ঐ খানে যাচ্ছি। তার পর থেকে রাজু ও শাহীন তাদের সাথে আর কোন যোগাযোগ করতে পারি না। কিন্তু ১৬ অক্টোবর সকালে যখন পাইকগাছার থানা থেকে আমাদের ফোন দিয়ে জানায় যে, রানার লাশ পাওয়া গেছে। তখন বুঝতে পারি যে, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তার লাশ খুলনায় এনে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়না তদন্ত শেষে দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করি। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোন আইনী পদক্ষেপ যেমন নেওয়া হয়নি তেমনি এখনও রানা হত্যার ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। াতার লাশ উদ্ধারের একদিন পর ১৭ অক্টোবর শুভসার হলে উদ্ধার প্রথা হয় একরামের লাশ। অথচ শাইন আমাদেরকে বারবার মিথ্যা কথা বলে বলছিল যে, শাহীন একরামের সাথে আছে। এরপর যেতে মার শাহীনের বাখে আমরা যোগাযোগ করতে পারছি না। তার মোবাইল হয়। পাইকগাছা থানায় মামলা করতে গেলে হত্যা মামলা বা দিয়ে অপমৃত্যু ঘামলার জন্য একটি স্বাক্ষর নিয়ে আমামাদেরকে পাঠিয়ে দেয়।এলাকায় পরপর দু’টি লাশ পাওয়া গেলো, জন্য পুলিশ বিষয়টি নিয়ে একেবারেই নিরব। আামাদের কাছে এটি একটি রহস্যজনক বিষয় বলে মনে হচ্ছে। দেই যাবে এটি যে, একটি পরিকলিপ্লত হত্যা বলে মনে করা যতে পারে। তাই আইন-শৃংখলা বাহিনীর পাশাপাশি আপনাদের অনুসন্ধানী সহযোগিয়া কামনা করছি। আপনাদের অনুসন্ধানে বের হতে ত পারে রানা ও একরাম হত্যার মূল রহস্য। যার মধ্যদিয়ে এর সাথে জড়িত অপরাধীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে এই প্রত্যাশা আমাদের।নিহত রানার দু’টি অবুঝ কন্যা সন্তান রয়েছে। যার একটির বয়স ৯বছর অপরটি বয়স ৬ বছর । আমর বুৃদ্ধ পিতা মাতা পুত্র শোকে আজ পার্থ আমরা হারিয়েছি ভাই। আমাদের গোটা পরিবারে চলছে আহাজরি। কিন্ত আমার ভাইয়ের হত্যা কারণ তেমনি জানতে পারছি না। পুলিশের পক্ষ থেকে হত্যাকারীদের খোঁজ করারও তেমন কোন উদ্যোগ দেখছি না।



