বি এল কলেজে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির দাবিতে প্রভাষকদের মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার: বিএল কলেজে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জিও জারি না হওয়া পর্যন্ত ‘ ঘঙ চজঙগঙঞওঙঘ ঘঙ ডঙজক ‘ কর্মসূচি পালন করছেন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদের ডাকে সারাদেশের সরকারি কলেজ ও দপ্তরসমূহের প্রভাষকবৃন্দ এ কর্মসূচি পালন করছেন। তার অংশ হিসেবে গত ১৬ নভেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে রয়েছেন প্রভাষকবৃন্দ।সোমবার ১৭ নভেম্বর সরকারি ব্রজলাল কলেজে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ৩২ বিসিএস থেকে ৪৩ বিসিএসের প্রভাষকবৃন্দ অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রভাষক পর্যায়ে প্রায় ২৪০০ কর্মকর্তা পদোন্নতি যোগ্য কিন্তু দীর্ঘদিন প্রভাষক পর্যায়ে পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে। এমনকি একাধিক বার ডিপিসি বসলেও আজ অব্দি পদোন্নতির জিও হয়নি। একটি সূত্র জানায় যে, সরকারি বিএল কলেজে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক ৪০ জন রয়েছে। তাঁদের দাবী যেখানে পাঁচ বছরে তাঁরা পদোন্নতি যোগ্য হয়ে আছেন সেখানে দীর্ঘ বারো- তেরো বছরে পদোন্নতি হয়নি বলে জানান। প্রভাষকরা আরো জানান,, তাঁরা দ্রুত তাদের স্ব স্ব দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনে সংযুক্ত হতে চান বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।এ জন্য তাঁরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং বিসিএস সাধারণ শিক্ষা এসোসিয়েশনের নিকট দ্রুত পদোন্নতির জিও জারির দাবী জানান। সকাল ৯ টা – বিকাল ৫ টা পর্যন্ত কলেজ ক্যাম্পাসে কর্ম বিরতিতে দেখা যায়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা চললেও প্রভাষকরা পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেনি বলে একটি সূত্রে জানা যায়। কলেজটির অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: সাইফুল ইসলাম প্রভাষকদের এই কর্ম বিরতিতে সংহতি প্রকাশ করেন। এ সময় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিমও অনুরূপ অভিমত ব্যক্ত করেন। অধ্যক্ষ প্রফেসর সাইফুল ইসলাম আরো জানান,দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে প্রভাষকরা ডিউটি না করলেও সমস্যা হবে না আগে-ভাগেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষকরা ধর্মঘট পালন করলেও তাদের কলেজে আসতে হবে। শিক্ষকদের দাবি যৌক্তিক বলে তিনি জানান। বিএল কলেজের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দও এই কর্মসূচি সাফল্যের জন্য একমত প্রকাশ করেন।


