স্থানীয় সংবাদ

মহেশ্বরপাশায় গ্রেফতারকৃত চোরের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান

# চুরি যাওয়া ১৫ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার উদ্ধারের ঘটনায় #

স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরীর দৌলতপুর মহেশ্বরপাশায় চুরির ঘটনায় দু’চোরকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। একই সাথে প্রায় ১৫ লাখ টচাকা মূল্যের চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করেছে। গ্রেফতার কুত একজন চোর আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দী প্রদান করেছেন। মহেশ্বরপাশা ফাড়ির ইনচার্জ এসই জাহাঙাগীরের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে এ মালামাল উদ্ধার করা হয়। তিনি জানান, মহেশ্বরপাশা শিকারীর মোড়ে রুম্মানের বাড়িতে চুরি হয়। এ ঘটনায় ৮ নভেম্বর দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি তদন্ত করেন মহেশ্বরপাশা ফাড়ির ইনচার্জ মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কার্তিককুল মুচপাড়া থেকে আল আমিন (৩০) নামের এক চোরকে গ্রেফতার করে। তার দেয়া তথ্য মতে শনিবারে পুলিশ যশোরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরেক চোর বিশ্বজিৎ অধিকারীকে (৫০) গ্রেফতার করেন। আল আমিন কার্তিককুল মুচিপাড়ার বাসিন্দা হারুন শেখের ছেলে। আর বিশ্বজিৎ যশোর কোতয়ালী থানার নীল গঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা মৃত দুলাল অধিকারীর ছেলে। তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া সাত ভরি দু’ আনা স্বর্ণালংকার ও এক ভরি দু’ আনা রূপার অলংকার উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ১৫ লাখ টাকা হবে বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান। এদের মধ্যে আল আমিন গত ১৬ নভেম্বর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তীমুলক জবানবন্দী প্রদান করেন খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (দৌলতপুর)বিচারক ফরিদুজ্জামানের নিকট। চোর আদালতে নিকট স্বীকার করেছে, সে একই চুরি করে। তবে তার মধ্যে এক ভরি স্বর্ণ যশোরে গিয়ে বিশ্বজিৎ অধিকারীর নিকট বিক্রি করে।বাকী মালামাল নিয়ে সে কিছু দিন বরিশালে গিয়ে থাকে। পরে বাড়ি আসে। মোবাইল ট্রাকিংএর মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে তিনি জানান। উল্লেখ্য, এই পুলিশ কর্মকর্তা কিছু দিন এই ফাড়িতে আসনে। এ সময় তিনি এলাকার আইন শৃংখলা উন্নতির জন্য প্রতি শুক্রবার এলাকার মসজিদে জুমার নামাজের আগ মূহুর্তে এলাকার মুসল্লীদের নিকট মাদক থেকে সমাজকে রক্ষা করতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহবান জানান। বিষয়টি এলঅকাবাসীূ বেশ ভালভাবে নিয়েছেন। কারা বেশ খুশি এলাকাবাসী যে রেকান উপায়ে এলাকার আইন শৃংখলা উন্নতি চান। এর আগে তিনি আগে দৌলতপুর লঞ্চঘাট ফাঁড়ির দায়িত্বে ছিলেন। তিনি থাকাবস্থায় এলাকার মাদক, জুয়া ব্যবসায়ীরা ছিল অতিষ্ঠ। ছিল ফুটপাত দখলদাররা বিরক্তে। তিনি চলে আসার পর আবারও ওই এলাকায় এসব ব্যবসা চলছে রমরমাভাবে। দায়িত্বশীল পুলিশ সদস্যরা তার মত কাজ করতে দেখা যায় না বলে এলাকার সচেতন মহল মনে করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button