আহলান সাহলান মাহে রমাদান

১০ম রমজানে কি কি করণীয়
আজ শেষ হতে যাচ্ছে রহমতের ১০ দিন। ১০ম রমজানে রমজানের প্রথম ১০ দিনের রহমতের অংশ শেষ হয়ে মাগফিরাত বা ক্ষমার দশকের সূচনা হয়। এই দিনে রোজার পাশাপাশি আল্লার কাছে গুনাহ মাফের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করা, রআন তিলাওয়াত, দান-সদকা, তারাবিহ ও তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করা উচিত। এছাড়া, নিয়মিত সুন্নাহ আমল, ধৈর্য ধারণ এবং দিনের বেলায় নতুন করে ইবাদতের নিয়ত নবায়ন করা উত্তম। ১০ম রমজানের মূল আমলসমূহ : ক্ষমা প্রার্থনা (ইস্তিগফার) : ১০ রমজান থেকে মাগফিরাতের দশক শুরু হয়, তাই বেশি বেশি তওবা ও ইস্তিগফার করা। বিশেষ দোয়া: যেহেতু ১০ রমজান রহমতের ১০ দিন পার করে ক্ষমার দশকের শুরুতে আসে, তাই নিজের বিগত জীবনের সব গুনাহ মাফের জন্য আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে দোয়া করা। কুরআন তিলাওাত: প্রতিদিনের নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত বৃদ্ধি করা। দান-সদকা: অসহায় ও গরিবদের সাহায্য করা, ইফতারির আয়োজন করা। সুন্নাহ নামাজ : তারাবিহ নিয়মিত আদায় করা এবং শেষ রাতে তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়ের চেষ্টা করা। জিহ্বা ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের হেফাজত: মিথ্যা, গীবত ও পাপ কাজ থেকে বেঁচে থাকা। নিয়ত নবায়ন: দিনের মাঝখানের সময়ে পুনরায় ইবাদতের জন্য নিয়ত নবায়ন করা। ধৈর্য ধারণ: কাজের জায়গায় বা রাস্তায় ধৈর্য ও সংযম বজায় রাখা। সুন্নত ও নফল ইবাদত: সুন্নাহ অনুযায়ী সালাত আদায় এবং জিকির করা। ১০ম রমজানটি রমজানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যায়, যা রহমত থেকে মাগফিরাতের দিকে উত্তরণের সুযোগ তৈরি করে।



