আজ খালিশপুরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

# উদ্বোধনী দিনে হাজার মানুষ পাবে কার্ড #
স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। একই সাথে একই সময় ফ্যামিলি কার্ড পাইলট কার্যক্রমের আওতায় খালিশপুর নয়াবাটী হাজী শরিয়ত উল্লাহ্ বিদ্যাপীঠ প্রাঙ্গণে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে নির্বাচিত উপকারভোগীদের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা জেলার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল এমপি এবং বিশেষ অতিথি থাকবেন খুলনা সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক কানিজ মোস্তফা জানান, গত ২৬ ফেব্রুয়ারী থেকে সপ্তাহ ব্যাপী খালিশপুর ১০নং ওয়ার্ডে জরিপ কাজ সম্পন্ন করা হয়। জরিপকৃত পরিবারের সংখ্যা হচ্ছে ৮০০৭টি। তার মধ্যে ৪১৮৭টি পরিবারকে ফ্যামিলী কার্ডের সুবিধা দেয়ার জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এর মধ্যে উদ্বোধনী দিনে হাজারটি পরিবারের মধ্যে এ কার্ড বিতরণ করা হবে বলে জানান কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত সকলের মাঝে কার্ড বিতরণ করা হবে। জরিপ শেষে তিন ক্যাডাগরিতে কার্ড দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে দরিদ্র. অতিদরিদ্র ও ঝুকিপূর্ণ ছিন্নমূল মানুষ কার্ডের আওতায় আসবে। তবে ওয়ার্ডের সবাই কার্ড পাবেন। কিন্তু সুবিধার আওতায় সবাই আসবে না। সমাজসেবা মন্ত্রী বলেন, বিএনপির বর্তমান নেতৃত্ব পরিবারভিত্তিক একটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করেছে। এই ব্যবস্থায় প্রতি পাঁচজন সদস্যকে একটি পরিবার হিসেবে ধরা হবে এবং কার্ডটি পরিবারের মা, বোন বা নারী অভিভাবকেরর নামে ইস্যু করা হবে। এতে পরিবারের সব সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ থাকবে। ধীরে ধীরে এটি উন্নত বিশ্বের মতো ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ পদ্ধতিতে রূপান্তর করার পরিকল্পনাও রয়েছে। ফ্যামিলী কার্ডে যেসব সুবিধা মিলবেঃ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যারা ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন তারা কার্ড পাওয়ার পর প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন।
ফ্যামিলি কার্ড পাবেন যারাঃ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রণীত ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ অনুযায়ী, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সমাজের প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সহায়তার আওতায় আনা। নীতিমালায় সুনির্দিষ্টভাবে কয়েক শ্রেণির মানুষকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ভূমিহীন, গৃহহীন, প্রতিবন্ধী সদস্যের পরিবার, হিজড়া, বেদে, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবার এবং ০.৫ একর বা তার কম জমির মালিকরা এই কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।



