দৌলতপুরে অনাবাদি পতিত জমি ও বসত বাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টিবাগান প্রকল্পের সেমিনার

স্টাফ রিপোর্টার : খুলনা দৌলতপুরে অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টিবাগান স্থাপন প্রকল্পের (২য় সংশোধিত) আওতায় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯ টায় দৌলতপুর অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন ডিএই যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ আলমগীর বিশ্বাস। সভাপতিত্ব করেন ডিএই খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য ও প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন ডিএই ইফনাপ প্রকল্প পরিচালক ড.মোঃ আকরাম হোসেন চৌধুরী। শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার জন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং হরমোন ব্যবস্থার ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য খাদ্যতালিকাগত পদ্ধতি’র নোট পেপার উপস্থাপন করেন রিসোর্স পারসন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তানভীর আহমদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনায় অংশ নেন কৃষিবিদ বিভাস চন্দ্র সাহা,দৌলতপুর এটিআই’র অধ্যক্ষ কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, ডিএই খুলনার উপপরিচালক নজরুল ইসলাম,ডিএই বাগেরহাটের উপ-পরিচালক মোঃ মোতাহার হোসেন,ডিএই সাতক্ষীরার উপপো পরিচালক মোঃ সাইদুল ইসলাম,ডিএই নড়াইল উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী হোসেন,পার্টনার প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মোসাদ্দেক হোসেন,বিসিআরসি প্রকল্পের আঞ্চলিক সমন্বয়ক মোঃ আশরাফুল আলম,ক্লাইমেট স্মার্ট প্রকল্পের পরিচালক শেখ ফজলুল হক মনি,দৌলতপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক সঞ্জয় কুমার দাস সহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা,বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকগণ,কৃষক ও কৃষাণীগণ,বিভিন্ন উপজেলা কৃষি অফিসারগন।সেমিনারে সভাপতির আলোচনায় খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, ধনী ও গরিব সকলেরই পুষ্টির প্রয়োজন রয়েছে।পুষ্টির প্রতি সকল মানুষের আগ্রহ কম না। এজন্য বাড়ির আঙিনাসহ খালি জায়গায় পুষ্টিবাগান করার জন্য সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। বরিশাল অঞ্চলে ভ্যানে করে চারা বিক্রি করে। কিন্তু ওই সমস্ত চারা মানসম্মত নয়। আমরা যদি ওই সকল গাছের চারা উৎপাদনকারীদের ভালো বীজের যোগান দিতে পারি তাহলে দেশ উপকৃত হবে। মানুষ ভালো মানের চারা পাবে। পুষ্টিবাগানের পাশাপাশি সাধারণ চাষীদেরও আমরা বিনামূল্য বীজ বিতরণ করতে পারি তাহলেও এই প্রকল্পের সুফল আরো বাড়বে বলে ধারণা করা যায়। এজন্য মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি অফিসারদের আরো বেশি প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে হবে। তারা মাঠ পর্যায়ে এর সুফল প্রচার করলেই দেশ এগিয়ে যাবে।



