খুলনা-মোংলা মহাসড়ক চার লেনের দাবি নিসচার

খুলনা-মোংলা মহাসড়কে বারবার দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। সবশেষ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপালের বেলাইব্রিজের কাছে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বর-কনেসহ ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
প্রায় এই মহাসড়কে দুর্ঘটনায় অসংখ্য নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। সড়কটি এখন জনদুর্ভোগ ও জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকিতে পরিণত হয়েছে। তাই অবিলম্বে খুলনা-মোংলা মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করা, দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর নজরদারি বৃদ্ধি এবং রাতে ভারী যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপের দাবি জানিয়েছেন নিরাপদ সড়ক চাইয়ের (নিসচা) খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি শেখ মো. নাসির উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মুন্নাসহ কার্যবির্নাহী কমিটির নেতারা।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে নেতারা বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কেড়েছে। থ্রি-হুইলার, নসিমন, করিমন, মাহিন্দ্রা ও অটোভ্যানসহ সব অননুমোদিত যানবাহনের চলাচলও রয়েছে সড়কটিতে। রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে পুলিশ ও সড়ক বিভাগের দৃশ্যমান উদ্যোগের অভাবে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অব্যবস্থাপনা ও দখলদারিত্ব বেড়ে চলেছে। রাস্তার দুই পাশের সরকারি জায়গা উদ্ধার, রাতে সোলার স্ট্রিটলাইট স্থাপন, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের গাড়ির বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, মোংলা বন্দর ও ইপিজেড এলাকার ফিটনেসবিহীন ট্রাক চলাচল বন্ধ এবং ২৭ টনের বেশি ভারী যানবাহনের চলাচল সীমিত করা এখন সময়ের দাবি। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কে ওভার স্পিডসহ যে কোনো আইন লঙ্ঘন প্রতিরোধে স্থাপন করতে হবে আধুনিক ক্যামেরা। যাতে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনা যাবে।
বিবৃতিতে রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। নেতারা শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।



