অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে সড়কে এমপি মাজেদ

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে সড়কে অভিযান চালিয়েছেন ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) প্রকৌশলী লুৎফূল্লাহেল মাজেদ বাবু। এ সময় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠলে গাড়ির চালকদের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর সড়কে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালক ও যাত্রীদের সঙ্গে নিজে কথা বলে অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে খোঁজ নেন এমপি। এতে বেশ কয়েকজন চালক ও যাত্রী নির্ধারিত ভাড়া থেকে ১০ টাকা করে বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে স্বীকার করেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে এখন থেকে কোনো যাত্রীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠলে চালকদের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। অভিযানে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ভূইয়া মনি, যুগ্ম আহ্বায়ক শরীফ আবেদীন জায়েদী, যুবদল নেতা ফরিদসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সানজিদা রহমান বলেন, গত ঈদের আগের অতিরিক্ত ভাড়া বন্ধের বিষয়ে চালকদের সঙ্গে সভা করে সর্তক করা হয়েছিল। আজ আবার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসায় চালকদের সর্তক করা হয়েছে। এরপর বাড়তি ভাড়া আদায় হলে প্রয়োজনে অভিযান চালানো হবে। ফেসবুকে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোয় এমপির প্রতিবাদ : অভিযোগ উঠেছে, গত ঈদের আগে ময়মনসিংহ-ঈশ্বরগঞ্জ সড়কে অটোরিকশার ভাড়া ছিল ৫০ টাকা। কিন্তু সম্প্রতি চালক সিন্ডিকেটের কারণে এ ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত। সম্প্রতি এসব ঘটনায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে পরোক্ষভাবে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে সমালোচনার সৃষ্টি হওয়ায় সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্দেশ্যমূলক প্রোপাগান্ডার প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। আজ দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেছেন এমপি লুৎফূল্লাহেল মাজেদ বাবু। তিনি লিখেছেন- আজকে সিএনজি ভাড়ার ব্যাপারে প্রথম পোস্টটি করেছে মফিজুল ইসলাম। ছাতা এগিয়ে থাকার প্রোপাগান্ডামূলক ঘোষণা আছে। পৌরসভা ইজারা দিলেও এর দায় ভার আমাদের ওপর চাপানো হয়েছে। আমি নিজের থেকে টাকা দিয়ে এ ইজারা বন্ধ করেছি। তিনি আরও লিখেছেন- সব সময়ই ঈদে মানুষ প্রতারিত হয়। একটা অভিযোগ ইউএনও এবং আমাদের কাছে আসে নাই। আমরা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করি। এখানে ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ এবং কেন্দুয়ার গাড়ি আসে। এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই পারে। অভিযোগ না করে চরিত্র হরণে নেমে পড়েছেন। আরে জামাতি বটেরা, কারো থেকে টাকা নিয়ে থাকলে লেখেন। প্রতারণা করলে লেখেন। এটা নিজেদের বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। বয়স তো মাত্র চল্লিশ দিন। সময় দিয়ে মূল্যায়ন করেন। আমি ইউএনওকে ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞেস করেছি, কেউ অভিযোগ দিয়েছে কি-না। তিনি বলেছেন, উনি পান নাই। আর বটেরা ফটোকার্ড বানিয়ে পোস্ট করছেন। আজকে প্রশাসন, পুলিশসহ সবাইকে জড়িয়ে বাড়তি ভাড়ার পোস্ট করা হয়েছে।



