খালিশপুর লাল হাসপাতাল ও স্কাউট মাঠ পরিদর্শন : উন্নয়নের আশ্বাস হুইপ বকুলের

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে নগরীর খালিশপুর এলাকায় অবস্থিত লাল হাসপাতাল ও স্কাউট মাঠ পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি উভয় প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অবস্থা ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। পরিদর্শনকালে হুইপ বকুল হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, অবকাঠামো, জনবল সংকট, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এবং সেবার মান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে স্কাউট মাঠের বর্তমান অবস্থা, ব্যবহারযোগ্যতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আবু জাফর মোহাম্মাদ সালেহ (সাধারণ সম্পাদক, ড্যাব), ডা. মিনহাজুল আলম (সহকারী রেজিস্ট্রার), খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খালিশপুর থানা বিএনপির সভাপতি এড. মোহাম্মদ আলী বাবু, খুলনা মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সুমন, খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ মিরাজুর রহমান, খালিশপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা। পরিদর্শন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হুইপ বকুল বলেন, “খালিশপুর লাল হাসপাতাল ও স্কাউট মাঠ আমাদের এলাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রতিষ্ঠান। এগুলোকে আধুনিকায়ন ও উন্নয়নমূলক কর্মকা-ের মাধ্যমে জনগণের জন্য আরও কার্যকর সেবাকেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে।”তিনি আরও বলেন, “লাল হাসপাতালকে আধুনিক চিকিৎসা সুবিধাসম্পন্ন একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন, দক্ষ চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।” স্কাউট মাঠ সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই মাঠকে শুধু খেলাধুলার জন্য নয়, বরং যুবসমাজ ও শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও সমাজসেবামূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে এটি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”হুইপ বকুল আরও উল্লেখ করেন, সরকারি ও বেসরকারি সকল স্তরের সমন্বিত সহযোগিতার মাধ্যমে এ দুটি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। জনগণের কল্যাণ ও সেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে খুলনা-৩ আসনসহ সমগ্র খুলনা অঞ্চলে উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরিদর্শনের একপর্যায়ে তিনি স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে উন্নয়ন পরিকল্পনা, জনসেবা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। স্থানীয়রা এ ধরনের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

