খুলনার ভৈরব নদের ট্যাংকারসহ ট্যাংলরীতে তেল চুরি যেন থামছেনা

# পরিবর্তন হয়েছে তেল চুরির কৌশল স্থানান্তর করা হয়েছে তেল সংরক্ষণ আস্থানা #
সৈয়দ জাহিদুজ্জামান দিঘলিয়া প্রতিনিধিঃ বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, খুলনার ভৈরব নদে নঙ্গর করা ট্যাংকারসহ খালিশপুর ও দৌলতপুর থানা এলাকার ৩ টা জ্বালানি তেল চুরি যেন বন্ধ হওয়ার নয়। শুধু পরিবর্তন হয়েছে তেল চুরির কৌশল। স্থানান্তর হয়েছ তেল মজুদের আস্তানা। একাধিকবার সূত্র থেকে জানা গেছে, খুলনা নগরীর ভৈরব নদের তীরে খালিশপুর মেট্রো থানা ও দৌলতপুর মেট্রো থানা এলাকার কাশিপুর এলাকায় অবস্থিত মেসার্স পদ্মা, মেসার্স মেঘনা ও মেসার্স যমুনা নামক ৩ টি তেল ডিপো। এই তেল ডিপোগুলোতে বিভিন্ন রকম জ্বালানি তেল সরবরাহে নিয়োজিত রয়েছে নানা কম্পানির ট্যাংকার। এ সকল ট্যাংকার চট্টগ্রাম থেকে জ্বালানি তেল লোড দিয়ে খুলনা আসে। ডিপোগুলোতে তেল আনলোড করার জন্য এ সকল ট্যাংকারগুলো ভৈরব নদীর মাঝে নঙ্গর করে ৪/৫ দিন অপেক্ষা করে। এ সময় তেল সিন্ডিকেট এ সকল ট্যাংকারের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে আঁতাত করে প্রতিনিয়ত ট্রলার নিয়ে ট্যাংকারগুলো থেকে তেল পাচার করে চলেছে। অপর দিকে তেল ডিপোগুলোর গেজারসহ অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সাথে গোপন আঁতাত করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি সরবরাহ কাজে নিয়জিত ট্যাংলরীগুলো নানা কৌশলে কখনও একাধিক বালতী ঝুলিয়ে রেখে তেল চুরি ব্যবসা অব্যাহত রেখেছে। এ তেল চুরি সিন্ডিকেট এতই প্রভাবশালী যে নানাভাবে তাদের এ প্রভাবকে ডিপো সুপার ও গেজারদের ওপর খাটিয়ে অবৈধ তেল চুরি অভ্যাহত রেখেছে। যা তাদের কালো টাকার পাহাড় গড়তে সহায়তা করছে। খুলনায় জ্বালানি তেল সংকট চললেও এদের তেল সংকট নেই। বরং তাদের তেল মজুদের স্থাপনা নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে উচ্চ মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি করছে। খুলনা শহরের ডিপোগুলো ছাড়া সর্বত্র সরকারি মূল্য উপেক্ষা করে চড়া মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রি করছে বলে জানা যায়। খুলনার ভৈরব নদীর ট্যালকারগুলো থেকে এবং ডিপোগুলো থেকে তেল বহনকারী ট্যাংলরী এবং রেলের ওয়াগন থেকে তেল চুরি নিয়ে দৈনিক প্রবাহ পত্রিকায় একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর শুধু কৌশল পরিবর্তন হয়েছে। তেল চুরি বন্ধ হয়নি। বরং তাদের ব্যবসা কেউ বন্ধ করতে পারবেনা বলে হুংকার দিয়েছে এমনটাই জানিয়েছে এলাকাবাসী।



