জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে দক্ষিণ-পশ্চিমের তিন জেলা বাদাবনের আলোচনায় সভায় বক্তারা

স্টাফ রিপোর্টারঃ ‘জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর জীবিকা ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক কর্মশালায় উপকূলীয় এলাকার জন্য পৃথক বাজেট বরাদ্দসহ নারীবান্ধব আইন তৈরির মাধ্যমে নারী-শিশুর জীবনমান উন্নয়নের দাবি জানানো হয়েছে। সেইসাথে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলবাসী তথা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার মানুষের সুপেয় পানি সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রীয় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনারও আহবান জানানো হয়। কর্মশালায় বক্তারা বলেন, উপকূলবাসীর সবচেয়ে বড় সমস্যা যোগাযোগ ব্যবস্থার অপ্রতুলতা ও পানি সংকট। এর ফলে চর্মরোগসহ নানা রোগে আক্রান্ত হলেও উপকূলবাসী প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবাও পাননা। এসব বিষয় নিয়েও নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন। বাদাবন সংঘের আয়োজনে সোমবার সকালে খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সুন্দরবন একাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনারুল কাদিরের সভাপতিত্বে এবং অ্যাডভোকেট কুদরত ই-খুদার সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা প্রকৌশল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এর সহযোগী অধ্যাপক আনজুম তাসনুভা। বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন বাদাবনের নির্বাহী পরিচালক লিপি রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ফরিদা জেসমিন। বক্তৃতা করেন খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক, সিনিয়র সাংবাদিক শেখ দিদারুল আলম, নারীনেত্রী সুতপা দেবজ্ঞ, উপকূলীয় সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি শিখা, সুফিয়া খাতুন, শেফালী বৈরাগী, কারিতাসের প্রভাস বিশ্বাস, সাংবাদিক এইচ এম আলাউদ্দীন, সাংবাদিক সবুর রানা, অ্যাড. বাবুল হাওলাদার, অ্যাড. পপি ব্যানার্জি, শেফালী বৈরাগী, রেখা মারিয়া প্রমুখ।কর্মশালায় বক্তারা আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলার মানুষের জীবনযাত্রায় গভীর প্রভাব ফেলছে। সুন্দরবনকেন্দ্রিক এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকা প্রকৃতিনির্ভর হওয়ায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, চিংড়ি চাষের বিস্তার, ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন এবং শিল্পায়নের ফলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।



