স্থানীয় সংবাদ

নগরীতে অনলাইনে বিজ্ঞাপন দিয়ে চলছে অসামাজিক কাজ

# আবাসিক হোটেলগুলোর অধিকাংশই অবৈধ কার্যক্রমে লিপ্ত #

শেখ ফেরদৌস রহমান: খুলনা নগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল গুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইনের প্লাটফর্ম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রাহক সংগ্রহ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আর এসব আবাসিক হোটেলে দেদারসে চলছে অসামাজিক কার্যক্রম যৌণবাণিজ্য। কিছু অসাধুচক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনলাইন প্লাটফর্মে বিভিন্ন তরুনীরদের অশ্লিল অঙ্গভঙ্গি দেখিয়ে গ্রাহক সংগ্রহ করছে। এছাড়া এসব পেজে থাকছে হটসঅ্যাপ নাম্বার । আর এতে করে উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীরা জড়িয়ে যাচ্ছে নানা মাদকসহ নানা ধরনের অসামাজিক কাজে। দেখা যায় অনলাইন প্লাটফর্মে লেখা আবাসিক হোটেল খুলনা আর নিচে লেখা মোবাইল নাম্বার আলম ভাই কল দিন। আর নিচে দেয়া আছে ভিডিও স্কিনে বিভিন্ন তরুণীদের অশ্লিল অঙ্গভঙ্গির খোলামেলা ভিডিও চিত্র। আর এতে আসক্ত হচ্ছে উঠতি বয়সী বিভিন্ন বয়সী তরুণরা। এমন কি সুযোগ বুঝে এই চক্রের ফাঁদে পা দিয়ে হারিয়েছেন সব কিছু এমন অভিযোগ আছে। এছাড়া নগরীর প্রায় শতাধিক আবাসিক হোটেলে সকলের সামনে চলছে এই দেহ ব্যবসা। পুলিশ প্রশাসন মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করলেও আবার তাদের কার্যক্রম তারা চালিয়ে যাচ্ছে। জানা যায়, নগরীর এ মালেক হোটেলে এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক বার পুলিশ অভিযান চালিয়েছে পাশাপাশি স্থানীয়রা কয়েক দফা এই হোটেলে যেয়ে অসামাজিক কাজ বন্ধের জন্য অনুরোধ করেছে। তারপরও চলছে তাদের কার্যক্রম। শুধু এ মালেক হোটেল না রয়েছে হোটেল আর্কিডিয়া, সুন্দরবন, সবুজবাংলা, সঙ্গিতা হোটেল, আস্থা, গোল্ডেন স্টার সাইন, অ্যাম্বাসেডরসহ একাধিক আবাসিক হোটেলে চলছে এসব কাজ। সরেজমিনে দেখা যায় নগরীরর আর্কেডিয়া হোটেলে সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় আছে ছদ্মনাম ইসহা অরপে নাটা দুলাল তিনি কাস্টমার সংগ্রহ করার কাজ করেন। এখানে জলিল টাওয়ারের নিকটবর্তী আর্কেডিয়া মার্কেট ভবনের ম্যানেজার সুভাস হালদার হোটেল আর্কেডিয়ার অসামাজিক কার্যকলাপে পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। বহুবার পুলিশ এখানে অভিযান চালালেও উক্ত ম্যানেজার এখানে কোন পরিবর্তন আনেন নি। এছাড়া এ-মালেকে বাবলু তিনি একই কাজ করেন। আর গ্রাহক যারা আসছেন সবাইকে নিজেরা বলেন ভাই কোন সমস্যা নেই। আপনি নিশ্চিন্তে কাজ করে যাবেন। আমরা আপনাদের নিরাপত্তা দিব। এ বিষয়ে আমরা বৃহত্তর খুলনাবাসী সহ- সভাপতি মোঃ জামাল মোড়ল বলেন, আবাসিক হোটেলে অনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে আমাদের উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীরা নষ্ট হচ্ছে। এটি একটি সামাজিক একটি অবক্ষয়। এছাড়া এসব নিয়ন্ত্রণে মূলত প্রশাসনের ভুমিকা থাকবে। তবে প্রশাসন সব সময়ে নিরব ভুমিকায় থাকায় এমনটি হচ্ছে। দ্রুত এসব আবাসিক হোটেল গুলো চিহ্নিত করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা উচিত বলে আমি করি। পাশাপাশি অনলাইনে যারা এধরনের অশীল্ল বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে দিচ্ছে। এদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তবে বিষয়টি নিয়ে কেএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। গতকাল দুটি হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তবে, অনলাইন প্লটফর্ম ব্যবহারের বিষয়ে আমি দেখছি আপনি লিংক পাঠিয়ে দিন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button