খুলনা জেলার ৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ

# ক্ষুদে প্রতিভার রাজ্যে খুলনা জেলার উদ্যোগে
শিক্ষক সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি ঃ সৃজনশীলতা, মেধা ও শিল্পচর্চার এক প্রাণবন্ত আয়োজনের মধ্য দিয়ে ক্ষুদে প্রতিভার রাজ্যে (কেপিআর) খুলনা জেলার শিক্ষক সম্মাননা অ্যাওয়ার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৪টায় ক্ষুদে প্রতিভার রাজ্যে (কচজ)-এর উদ্যোগে খুলনা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এ বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে খুলনা জেলার ৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। প্রতিভাবান শিল্পীদের সৃষ্টিশীল কর্মযজ্ঞকে উৎসাহিত করা এবং শিল্প-সংস্কৃতির বিকাশে অবদান রাখার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জেলায় ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনায় এ আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনের মধ্যে দিয়ে শিল্পপ্রেমী, অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সাবেক পরিচালক খন্দকার রেজাউল হাসেম। কেপিআর পরিচালক এনামুল হক রিংকুর সভাপতিত্বে এবং ক্ষুদে প্রতিভার রাজ্যে (কেপিআর)-এর সহকারী পরিচালক এডভোকেট মো. ইমরান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের বিশেষ আলোছক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলার কালচারাল অফিসার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম । প্রধান অতিথি এবং সভাপতি তাদের বক্তব্যে বলেন, “শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশে শিল্পচর্চার বিকল্প নেই। তাদের মেধা ও সৃষ্টিশীলতাকে বিকশিত করার জন্য কেপিআর ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখবে।”অনুষ্ঠানে খুলনা জেলার ৩১টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দের চিত্রাংকন মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিভিন্ন বিভাগে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীকে পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোকে সম্মাননা এওয়ার প্রদান করা হয়। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ,অভিভাবক বৃন্দ উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানের সফল বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আয়োজকরা। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিল্প-সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে সৃজনশীল, মানবিক ও নান্দনিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয় এবং আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।



