জনবল সংকটে ধুকছে খুলনা আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার

শেখ ফেরদৌস রহমান : জনবল সংকটে ধুকঁেছ খুলনা দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার । জানাযায় খুলনা দৌলতপুর এলাকার পাবলা এলাকাধীন ৯০ এর দশকে ৮.৩২ একর জমির ওপর গড়ে ওঠে সরকারি আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার। তবে, আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের বর্তমান কর্মকর্ত্া ও কর্মচারি রয়েছে মোট ১৩ জন। যার মধ্যে শূন্যপদ রয়েছে আরও ১০ টি। খামারটিতে নেই নৈশ প্রহরী নেই সুইপার, হ্যাচারী এটন্ডেট, ইলেকট্রেশিয়ান, অফিস সহকারী, গাড়ী চালক, পোল্টি এটেন্ডেট দুটির মধ্যে একটি নেই। এছাড়া স্টোর কিপার পদ শূন্য । এতে করে খামারটির ১১ টি ঘর ,একটি খাদ্য গুদামে ও একটি খাদ্য মিশ্রন ঘর দুটি হ্যাচারী ভবনে নাম মাত্র জনবল থাকায় খামারটিতে হাঁস পালনে নানা সমস্যার স¤œুখিন হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ। এছাড়া বর্তমানে খামারটিতে প্রায় সাড়ে চার হাজারের মত হাঁস রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ছোট বাচ্চা, বাড়ন্ত ও ডিম পাড়া হাঁস। পাশাপাশি প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার থেকে ২১শর মত ডিম উৎপাদন হয়। এতে খামারটিতে পরিচর্যার জন্য জনবল পর্যাপ্ত না থাকায় বাহিরের থেকে জনবল নিয়ে সাময়িকভাবে কাজ করে সংকট মোকাবেলা করতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। এছাড়া জনবল সংকটে গ্রাহকদের সঠিক সময়ে সেবা দিতে পারছেনা। অনেক গ্রাহকের অভিযোগ এখানে সরকারী ভাবে আমরা হাঁসের বাচ্চা ক্রয় করছি শীতকালিন সময়ে ২৫ টাকা। এছাড়া গৃস্মকালিন সময়ে ২৫ টাকা। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এর কারণ জনবল নেই পর্যাপ্ত। এ বিষয়ে কথা হয়, গ্রাহক মোঃ আব্দুল আলিম’র সাথে তিনি বলেন, আমি এই হাঁস খামার হতে বাচ্চা নিয়েছিলাম তিনশ’ টাকা দিয়ে । সাহাপুর আমার নিজস্ব ঘেরে আমি তিনশ’ বাচ্চা পালন করি। গড়ে প্রতিদিন ২শ বা ২২০ টির মত ডিম পাচ্ছি। তবে আগের থেকে সিরিয়াল দিতে হয়। এখানে কমকর্তারা নিজেরা হাঁস খামারে খাবার দেয়। আমাকে বিভিন্ন ভাবে তারা সহযোগীতা করেছে। তাদের দিক নির্দেশনায আমার প্রতিদিন খরচ বাদে প্রায় হাজার টাকার উপরে মুনাফা হচ্ছে। তবে, খামারে হাস নিতে হলে সিরিয়াল অনুযায়ী নিতে হয়। কর্মকর্তা অফিসিয়াল কাগজ কলমের কাজ শেষ করে আবার প্যান্ট গুচিয়ে খামারে যেয়ে হাস পরিচর্যা ও ডিম উৎপাদন করে। এ বিষয়ে দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের উপঃ পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, জনবল সংকট আগের থেকেই আছে। আগে আরও বেশি ছিল বর্তমানে আউটসোর্সিংভাবে কয়েকজন রয়েছে। তবে আরও জনবল শূন্য আছে। মোট ২৩ টি পদের মধ্যে মাত্র ১৩টি পদ আছে। তারপরও আমরা গ্রাহকদের সব সময়ে আন্তরিকভাবে সেবা দিতে পারছি। পাশাপাশি হাঁস পালনে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিচ্ছি। আমরা বিষয়টি নিয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। জনবল সংকট কাটিয়ে তোলার জন্য চেষ্টা চলছে। তবে বর্তমানে নিরাপত্তা প্রহরী খুব প্রয়োজন।


