স্থানীয় সংবাদ

মেরামত ও আধুনিক পাম্প স্থাপনের লক্ষ্যে রূপসা স্লুইচগেট পরিদর্শন কেসিসি প্রশাসকের

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু রবিবার সকালে মেরামত ও আধুনিক পাম্প স্থাপনের লক্ষ্যে রূপসা স্লুইচগেট পরিদর্শন করেন। জোয়ারের সময় অতি বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎক্ষণিক করণীয় নির্ধারণে তিনি কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে সরেজমিন পরিদর্শনে যান। পরিদর্শন শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রশাসক বলেন, জোয়ারের সময়ে নদীতে বৃষ্টির পানি নিস্কাশিত না হওয়ায় কিছুকিছু স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। জমে থাকা বৃষ্টির পানি দ্রুত অপসারণে পাম্প হাউজ নির্মাণ কাজের দরপত্র আহবান করা হয়েছে। ইতোপূর্বে পাঁচ বার দরপত্র আহবান করা হলেও কারিগরি কারণে তা বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে স্লুইচগেট নষ্ট থাকার কারণে জোয়োরের পানি শহরে প্রবেশ করছে। সে কারণে পাম্প হাউস স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত জোয়ারের পানি প্রবেশ বন্ধে গেটগুলি সংস্কার করা হচ্ছে। এছাড়া চলমান ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এ প্রকল্পের সুফল পাওয়া যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ওয়াসা কর্তৃক খননকৃত সড়কের বিষয়ে তিনি বলেন, খননকৃত সড়কগুলি এখন থেকে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ মেরামত করবে। কিন্তু মেরামত কাজর সঠিকভাবে হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করবে কেসিসি। কেসিসি’র সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো: মাসুদ করিম, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শফিকুল হাসান দিদার, খান হাবিবুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রশাসক নগরীর ক্লে রোডের ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন। বিকেলে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে কঞ্জারভেন্সী বিভাগের ৩১টি ওয়াডের সুপারভাইজারদের সাথে এক সভায় মিলিত হন। মহানগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রশাসক পরিদর্শনকালে দৃষ্টিগোচর হওয়া বিভিন্ন অসঙ্গতির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সুপারভাইজারদের কাছে জবাব চান। একইসাথে তিনি পরিচ্ছন্নতা কাজে কারো গাফিলাতি প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি সতর্ক করেন। কেসিসি প্রশাসক আরো বলেন, সড়কের ওপর সামগ্রী রেখে জনসাধারণের চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি করে কেউ ব্যবসা করতে পারবে না। সড়কের ওপর সামগ্রী রেখে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের প্রাথমিকভাবে তিনি নোটিশ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। কেসিসি’র সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো: আনিসুর রহমান, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, কঞ্জারভেন্সী অফিসার মো: অহিদুজ্জামান খান, আর্কিটেক্ট রেজবিনা খানম প্রশাসনিক কর্মকর্তা ড. পেরু গোপাল বিশ^াসসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ ও কঞ্জারভেন্সী সুপারভাইজারগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button