সম্পর্কের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাক

# বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৭ চুক্তি ও সমঝোতা #
চীন বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মকা-ে চীনের সহযোগিতা দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে রয়েছে চীনের বিপুল বিনিয়োগ। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান আস্থা ও সহযোগিতার এই সম্পর্ককে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপারে চীনা বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ২৬ জুন সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে দুই নেতা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। তাঁদের আলোচনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও শিক্ষা, স্থানীয় সরকার পর্যায়ে বিনিময় ও সহযোগিতা জোরদার, আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অংশীদারি ইত্যাদি। চীনের প্রেসিডেন্ট বলেন, চীন সব সময় বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য বন্ধু, ভালো প্রতিবেশী ও অংশীদার। মৌলিক স্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়গুলোতে উভয় দেশ পরস্পরকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে। বাংলাদেশের সঙ্গে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি করতে চীন-মায়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরের উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে চীনের সহযোগিতার কথাও জানান তিনি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আনুষ্ঠানিক বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়; যেমনÑঅর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতাসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে এবং খোলা মনে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।
