মাদারীপুর থানা থেকে পালানো নারী আসামি কেরানীগঞ্জে গ্রেপ্তার

মাদারীপুর প্রতিনিধি ঃ মাদারীপুর সদর মডেল থানার অস্থায়ী হেফাজতকক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামি হাসিনা বেগমকে (৩৫) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীর কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) ভোরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কেরানীগঞ্জের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হাসিনা বেগম মাদারীপুর পৌরসভার থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে এবং সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল আমিনের স্ত্রী। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকা-ে জড়িত থাকার অভিযোগে সদর মডেল থানার ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোকসেদুর রহমান তাকে আটক করেন। পরে তাকে সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে সদর মডেল থানার মূল ভবন নির্মাণাধীন থাকায় অস্থায়ীভাবে ওসির সরকারি বাসভবনের নিচতলা থেকে থানার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছিল হাসিনাকে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তিনি ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) রমজান আলী সজল এবং দায়িত্বে থাকা এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া শুক্রবার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, পালিয়ে যাওয়া আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে আসামি পালানোর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি কাজ করছে। তদন্তে দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরই মধ্যে দায়িত্বে থাকা ডিউটি অফিসার ও এক কনস্টেবলকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।



