খালিশপুরের মাদক স¤্রাট সাদ্দামের পয়েন্টে পুলিশ চেকপোস্ট বসালেও থামছে না মাদক বিক্রি

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খালিশপুরের মাদক স¤্রাট সাদ্দামের পয়েন্টের আশেপাশে পুলিশ চেকপোস্ট বসালেও থামছে না তার মাদক বিক্রি। তার অত্যাচারে পুরো এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। একই অবস্থা রাজনীতিবিদেরও। সম্প্রতি কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ৭নং ওয়ার্ডে একটি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন করতে যান। উদ্বোধন শেষে ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে তিনি বসেন। এ সময় খালিশপুর বিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রশাসকের নিকট মাদকের ব্যাপারে বিস্তর অভিযোগ জানান। তিনি অভিযোগগুলো শোনেন এবং পুলিশ কমিশনারের সাথে কথা বলবেন বলে নেতাকর্মীদের আশ্বাস দেন। খালিশপুর ১০নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে বড় মাদক পয়েন্ট এখন মাদক স¤্রাট সাদ্দামের পয়েন্ট। দিন রাত ২৪ ঘন্টাই তার পয়েন্টে নানা কৌশলে অনেকটা প্রকাশে মাদক বিক্রি চলে। তার পয়েন্টে সব সময় ৭/৮ জনের একটি গ্রুপ থাকে। যারা হেটে হেটে মাদক বিক্রি করে। স্থানীয় একজন মহিলা জানান, দিন আর রাত নেই। সর্বদা মাদক বিক্রি চলে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের চাঁদা দিয়েই তারা মাদক বিক্রি করছে। কারণ সাদ্দামের পয়েন্টে পাশেই বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বাড়ি। তারা চাইলে সাদ্দাম কোনভাবেই মাদক বিক্রি করতে পারে না। তাদের রহস্যজনক আচরণে সাদ্দাম বেপরোয়া হয়ে পড়েছে। শুধু সাধারণ জনগণই নন, খোদ পুলিশও অতিষ্ঠ। তারই জের ধরে সাদ্দামকে ধরা ও মাদক বিক্রি বন্ধে সাদ্দামের মাদক পয়েন্টের আশপাশে পুলিশ চেক পোস্ট বসানো হয়েছে। মাঝে তার বাসায় অভিযান চালানো হেেল সাদ্দামকে পাওয়া যায়নি বলে উপ-পুলিশ কমিশনার সুদর্শন কুমার রায় জানান। তিনি জানান, মাদক স¤্রাট সাদ্দামকে ধরতে তাদের অভিযান অব্যাহত আছে। খালিশপুর থানার ওসি শাহজাহান বলেন, সাদ্দামকে ধরতে তারা নয়াবাটি গোল পার্কের সামনে ও দুর্বার সংঘ মোড়ে চেক পোস্ট বসিয়েছে। ছাত্রদল নেতা আবু সালেহ শিমুল বলেন, এই মাদক স¤্রাট সাদ্দামের মাদকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে নিজেই মাদক মামলার আসামী হয়ে হয়েছে। দলীয় কিছু লোক সাদ্দামের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে মাদক বিক্রির সুযোগ করে দিচ্ছে বলে তার অভিযোগ।



