স্থানীয় সংবাদ

খুলনা বিভাগে ৯ হাজার ২৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী : মৃত্যু ৩৩

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা বিভাগে চলতি বছরে গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ আগস্ট সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ৯ হাজার ২৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮ হাজার ৫৭৭ জন এবং চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮ হাজার ৩০৯ জন। সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ৩৩ জনের। একই সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৩৪৫ জন। তবে নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর কোনো তথ্য নেই। রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত খুলনা বিভাগের জেলাওয়ারি হাম পরিস্থিতি নিয়ে পরিচালক (স্বাস্থ্য), খুলনা বিভাগ, খুলনার দপ্তর থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এসব তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে ৩৮ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সময়ে ১৫ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। জেলাভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, কুষ্টিয়ায় গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৯০ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের সবাই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২ হাজার ২৩৮ জন। সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৩ জন। খুলনায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৪৩৫ জন। তাদের সবাই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ১ হাজার ৩৯২ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন। সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৪৫ জন। মাগুরায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৩৫ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৭৫ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ১৭৬ জন। সন্দেহজনক হামে কোনো মৃত্যুর তথ্য নেই। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৬ জন। যশোরে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৮৩৮ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৪৪ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬৬০ জন। সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর তথ্য নেই। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৮ জন। ঝিনাইদহে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৫৩ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৪৩ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭১২ জন। সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ জন। চুয়াডাঙ্গায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪৯৭ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৯০ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৮৭ জন। সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা শূন্য। নড়াইলে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫৮১ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৫২ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫২৫ জন। সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর কোনো তথ্য নেই। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৭৩ জন। মেহেরপুরে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫৭৪ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৭৮ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৫৯ জন। সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১ জনের। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ জন। বাগেরহাটে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৪৯০ জন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৩৭ জন এবং ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৩১ জন। সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর কোনো তথ্য নেই। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৬৯ জন। সবশেষে সাতক্ষীরায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ২৩৩ জন। তাদের সবাই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২২৯ জন। সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর কোনো তথ্য নেই। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, নতুন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্তের দিক থেকে কুষ্টিয়া সর্বোচ্চ, সেখানে ১৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং সবাই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। খুলনায় ৫ জন, মাগুরায় ৬ জন, নড়াইলে ৯ জন এবং মেহেরপুরে ১ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় চুয়াডাঙ্গায় ২ জন, যশোরে, ঝিনাইদহে, বাগেরহাটে এবং সাতক্ষীরায় কোনো নতুন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ৯ আগস্ট সকাল ৮টা পর্যন্ত খুলনা বিভাগে মোট ৯ হাজার ২৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী, ৩৪৫ জন নিশ্চিত হাম রোগী এবং সন্দেহজনক হামে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button