মাংস বিক্রেতাদের দখলে নগরীর ময়লাপোতা মোড়ের ফুটপাত

# দখল মুক্ত করতে কেসিসি’র নোটিশ #
# কারোর কথাই আমলে নিচ্ছে না মাংস বিক্রেতারা #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ফুটপাত দখলকারী মাংস বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কেসিসি। নগরীর ময়লাপোতা মোড়ে মাংস বিক্রেতারা বেপরোয়া। তারা ফুটপাত দখলের পরও ক্ষ্যান্ত হয়নি তারা সড়কের অর্ধেক পর্য়ন্ত দখল করে নিয়েছে। এতে করে জনসাধারণেল চলাচলে চরম বিঘœ হচ্ছে। ছোট খাটো দুর্ঘটনা লেগেই আছে। অবিলম্বে ফুটপাত ছেড়ে দেয়ার জন্য কেসিসি ভেটেরিনারি দপ্তর মাংস বিক্রেতাদের নোটিশ দিয়েছে। গত ১৩ জুলাই নোটিশ দিয়েছেন কেসিসি ভেটেরিনারি অফিসার ড. পেরু গোপাল বিশ্বাস। একই সাথে চিঠি দিয়েছে ২০নং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিমুল আজাদ। কিন্তু তার কোন কর্ণপাত না করেই ফুটপাত দখলে রেখেছে। ওই নোটিশে উল্লেক করা হয়েছে,“আপনি দীর্ঘদিন যাবৎ কেসিসি’র ময়লাপোতা মাংসপট্টিতে ফুটপথ দখল করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস বিক্রয়/কাটার উদ্দেশ্যে ব্যস্ততম রাস্তার ফুটপাতের উপর উপর মোটা গাছের গুড়ি ফেলে রেখে জনসাধারন ও মসজিদের মুসল্লিদের চলাচলে বিঘœ সৃষ্টি করছেন। এছাড়াও ব্যস্ততম সড়কে জনসাধারনের চলাচলের ফুটপাত দখল করে খোলামেলা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস কাঁটা/বিক্রি করায়, খাদ্য নিরাপত্তা বিঘিœত হচ্ছে ও পরিবেশ দূষণ করছেন। উল্লেখ্য যে, এ বিষয়ে আপনাকে কেসিসি’র স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও আদায়কারীদের মাধমে বারংবার মৌখিকভাবে সতর্ক করা সত্ত্বেও আপনি কর্ণপাত করছেন না। যা স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এর ৯২ ধারার ৫ম তফসিল এর ০৮, ১০, ১৩ ও ৩৮ ধারা এবং পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০২১ এর বিধি ১২ এর ১(ঘ), বিধি ১৭ এর ৫ সহ অন্যান্য আইন অনুসারে দন্ডনীয় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমতাবস্থায়, ময়লাপোতা মাংসপট্টিতে ব্যস্ততম সড়কে জনসাধারনের চলাচলের ফুটপাত ফাকা রেখে রাস্তা ও ফুটপাত থেকে সরে নিজ দোকানের সীমানায় মাংস বিক্রি করার জন্য আপনাকে বলা গেল। একই সাথে কসাইখানায় পশু জবাইয়ের সীলসহ মাংস বিক্রির জন্য বলা গেল। অন্যথায় উপরোক্ত ধারা মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ সহ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।” কেসিসির ভেটেরিনারি অফিসার ড. পেরু গোপাল বিশ্বাস বলেন, ফুটপাত দখলদার মাংস বিক্রেতাদের ফুটপাত ছেড়ে দিতে তিনিসহ ২০নং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিমুল আজাদ নোটিশ দিয়েছেম। তবে তারা কর্ণপাত করছে না। ২০নং ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রকৌশলী সেলিমুল আজাদ বলেন, ফুটপাত দখলদার মাংস বিক্রেতাদের ফুটপাত ছেড়ে দিতে তিনি নোটিশ করেছেন। একই সাথে ওয়ার্ড অফিসের স্টাফরা তাদের মৌখিকভাবে বলেছে। কিন্তু কোন কিছুতেই তারা আমলে নিচ্ছে না।



