২০৫০ সালের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলের ১৯টি জেলার ১৩৩ লাখ মানুষ লবণাক্তার কারণে বাস্তুচ্যুত হতে পারে

# পরিবেশ ও পরিবেশ আইন বিষয়ক দু’দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে বক্তারা #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ পরিবেশ ও পরিবেশ আইন বিষয়ক দু’দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ মঙ্গলবার থেকে খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বেলার বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বেলার হেড অব প্রোগ্রাম ফিরোজুল ইসলাম, বেলার ল’ ইয়ার আসাদুল্লাহ আল গালিব, এড. তৌহিদুল আলম, ক্যাম্পেইন অফিসার শাফায়াত উল্লাহ, জান্নাতুল পিয়া। প্রশিক্ষণে অংশ নেন শ্যামনগর, কয়রাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ। প্রশিক্ষণে বলা হয়, ফারাক্কা বাধের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের নদ-নদী মরে যাচ্ছে। বাড়ছে লবণাক্ততা। এতে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলের ১৯টি জেলার প্রায় ১৩৩ লাখ মানুষ লবণাক্তার কারণে বাস্তুচ্যুত হতে পারে। গত ৪০ বছরে উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বেড়েছে ২৬ ভাগ। চিংড়ি চাষের কারণে লবণাক্ততা বাড়ছে। এতে করে এ অঞ্চলে কৃষির বিপর্যায় ঘটছে। এর থেকে রক্ষা করতে হলে জোনিং সিস্টের চালু করতে হবে। এ অঞ্চলে বালু কেটে নদীর সর্বনাশ করার পাশাপাশি নির্বিচারে জলধারা ভরাট করা হচ্ছে । এতে করে বিশুদ্ধ পানির চরম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্জ্যপাত বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব থেকে বাঁচতে হলে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে।


