শরণখোলার বলেশ্বর নদের গাবতলায় কুমিরের সাঁতার : আতঙ্কে জেলে ও এলাকাবাসী!!

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের গাবতলা এলাকার আশার আলো মসজিদ সংলগ্ন বলেশ্বর নদীতে বিশাল আকৃতির একটি কুমির সাঁতার কাটতে দেখেছে এলাকাবাসী। এঘটনায় ওই এলাকায় বসবাসরত নদীর উপর নির্ভরশীল জেলে ও রেনুপনা আহরণকারী পেশাজীবীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ওই এলাকা বেশি সুত্রে জানা যায়, ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ২ঃ০০ টার দিকে ওই এলাকায় বসবাসকারী জেলেরা রেনু পড়া সংগ্রহ করার সময় হঠাৎ একটি ১০ থেকে ১২ হাত লম্বা কুমিরকে নদীর মধ্যে হঠাৎ সাঁতার কাটতে দেখে। এসময় জেলে ও রেনু পোনা সংগ্রহকারীরা ডাক চিৎকার দিলে বলেশ্বর নদী তীরবর্তী আশার আলো মসজিদ সংগ্রহ এলাকায় কয়েকশত নারী পুরুষ কুমিরটি দেখতে জড়ো হয়। এ সময় ওই এলাকায় বসবাসরত রেনু পোনা আহরণকারী ও জেলেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এক থেকে দেড় ঘন্টা ভাসমান থাকার পর ওই কুমিরকে আর দেখতে পায়নি এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাকির হাওলাদার স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল হাওলাদার বলেন, বলেশ্বর নদীতে গত ২০-২৫ বছরে কেউ কখনো এরকম ভাসমান অবস্থায় সাঁতার কাটতে কুমিরকে দেখতে পাইনি। সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল জেলে মোহাম্মদ ইউনুস হাওলাদার বলেন এটি সুন্দরবনের খাল ও নদীর মোহনায় বিষ দিয়ে মাছ ধরার কারণে হয়তোবা কুমির নদীতে চলে এসেছে। তবে ওই এলাকার এক বাসিন্দা জানান, এই কমিটি সুন্দরবন রেঞ্জ সংলগ্ন এলাকা থেকে এক কিলোমিটার দূরে প্রায়ই ভাসতে দেখা যায়।



