দৌলতপুরে নিজ বাড়ির ভিতর নির্যাতন করে যুবদল নেতার দাঁত ভাঙ্গল দুর্বৃত্তরা

স্টাফ রিপোর্টারঃ নগরীর দৌলতপুরে দুর্বৃত্তরা নিজ বাড়ির ভিতর ফেলে নির্যাতন করে যুবদল নেতা মিজানের দাঁত ভেঙ্গে ফেলেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় নগরীর দৌলতপুর থানার দেয়ানা পূর্বপাড়ায় বাউন্ডারী রোডস্থ ভিকটিমের নিজ বাড়িতে গিয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আহত মিজানকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহত মিজান জানান, তিনি দৌলতপুর থানার ৪নং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য সচিব। মহানগর যুবদলের ব্যানারে মশক নিধনের জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওই এলাকায় মশার ওষুধ স্প্রে করা হয়। এ সময় মশার ওষুধ স্প্রে নিয়ে এলাকায় চাঁদাবাজ হিসেবে খ্যাত মনিরের সাথে তর্ক হয়। বিষয়টি ওই সময় শেষ হলে মনির যথারীতি বাড়ি চলে যায়। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে তিনি নিজ বাড়ির সামনে তার অফিস খোলার সময় মনিরের সাথে দেখা হয়। এ সময় কথা আছে বলে তাকে মনির ডেকে নিয়ে যায় মুকুল ভান্ডার মোড়ে। ওইখানে পূর্বের বিষয় নিয়ে উভয়ের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এলাকাবাসী ঠেকিয়ে দিলে মিজান বাড়ি চলে আসে। বাড়ি আসার কিছু সময় পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চাঁদাবাজ মনিরের নেতৃত্বে ৭/৮ জনের একটি দুর্বৃত্ত গ্রুপ দেশী অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে এসে হামলা করে। দুর্বৃত্তরা তাকে মারধর ধরে মুখের একটি দাঁত ভেঙ্গে ফেলে। এছাড়া হাতুড়ি দিয়ে পায়ে ও শরীর বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে দুর্বৃত্তরা হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। বর্তমানে যুবনেতা মিজানুর রহমান (৪০) খুমেক হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন। হামলাকারী মনির সাংবাদিক ইকরাম হোসেন নির্যাতন মামলার আসামী। এছাড়া বিএনপি নেতা সাইফুলও এর দ্বারা নির্যাতনে শিকার হয়েছে বলে মিজান জানান। মনির এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করে থাকে বলে মিজান জানান। মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রুবেল জানান, তিনি বিষয়টি অবগত। তবে ওদের নিজেদের বিষয়। মনির আগে যুবদল করতো। এখন বিএনপি সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। তবে তার বিতর্কিত কর্মকান্ডের ব্যাপারে মহানগর যুবদল সতর্ক রয়েছে বলে তিনি জানান।



