স্থানীয় সংবাদ

খুলনায় হিন্দু নারীর বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগ

আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

স্টাফ রিপোর্টার : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে ‘বন্ধনা রায়’ নামের এক নারীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। সম্প্রতি খুলনা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সম্পাদক বরাবরে পাঠানো এক আবেদনের মাধ্যমে এই দাবি জানান অ্যাডভোকেট এড. এম. মাফতুন আহমেদ।
আবেদনে তাকে ইস্কন সদস্য উল্লেখ করে বলা হয়, অভিযুক্ত বন্ধনা রায় খুলনা কোর্টের আইনজীবী মুহুরীর ভুয়া পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি খুলনা আইনজীবী সমিতির নিবন্ধিত কোনো মুহুরী নন। বন্ধনা রায় নিজের ফেসবুক আইডি থেকে একাধিকবার বিতর্কিত পোস্ট দিয়েছেন।
এক পোস্টে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর ও কটূক্তিমূলক মন্তব্য করেন, যা নিয়ে আইনজীবী সমাজ ও সুশীল সমাজের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, সরকারের প্রধানকে নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের শামিল।
পূর্ববর্তী ঘটনা ও ক্ষমা প্রার্থনা : আবেদনের সাথে সংযুক্ত একটি নথিতে দেখা যায়, উক্ত বন্ধনা রায় (পিতা- রাধাকান্ত রায়, সাং- হালিয়া, থানা- বটিয়াঘাটা, জেলা- খুলনা) এর আগেও ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়ে বিতর্কিত পোস্ট দিয়েছিলেন। তিনি তার ফেসবুক আইডিতে মসজিদে ওজুকে পানি ‘অপচয়’ বলে একটি পোস্ট করে চরম বিতর্কের জন্ম দেন। পরবর্তীতে লিখিত আবেদনের মাধ্যমে তিনি তার কৃতকর্মের জন্য মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমাও প্রার্থনা করেন।
আইনগত ব্যবস্থার দাবি : বারংবার এ ধরনের রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকা- ও অবমাননাকর মন্তব্য করার প্রতিবাদে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে। একইসাথে আবেদনের অনুলিপি পুলিশের খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, বিএনপি মিডিয়া সেল এবং সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে।
ওজু নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, এটি শেখ হাসিনার আমলের কথা। এছাড়া বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য তিনি নিজে লেখেননি দাবি করে বলেন, অন্যের লেখা তিনি শেয়ার করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button