দৌলতপুরে বালুর ‘দুর্ভোগ’ পিছু ছাড়ছেনা : পরিবেশ অধিদপ্তর নিরব!

# শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যায় ভুগছে শিক্ষার্থীসহ ভুক্তভোগিরা, বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি #
# দুর্ভোগ লাঘবে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা #
স্টাফ রিপোর্টার : দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও খুলনা মহানগরীর দৌলতপুরের প্রাণকেন্দ্রের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারী ব্রজলাল (বিএল) কলেজ বিদ্যাপীঠ, যা এই অঞ্চলের মানুষের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গর্বের প্রতীক। খুলনাসহ আশপাশের জেলা শহর হতে আসা হাজারো শিক্ষার্থীরা এখানে অধ্যয়নরত। প্রতিদিনই শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে বিএল কলেজ শিক্ষাঙ্গন ও তৎসংলগ্ন এলাকা। বিদ্যাপীঠটিকে ঘিরে আশপাশে গড়ে উঠেছে বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা সহায়ক সুবিধা লাভ করে থাকে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এমন একটি গুরুত্বপূর্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংলগ্নে বছরের পর বছর ধরে দৃশ্যমান হওয়া বালু নামের ‘দুভোর্গ’ পিছু ছাড়ছেনা বিদ্যাপীঠের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীসহ সর্বস্তরে। বাতাসে ওড়া বালুুতে নাভিশ^াস তুলছেন ভুক্তভোগীরা। প্রতিদিনই কলেজ সম্মুখের সড়কসহ দৌলতপুরের বিভিন্ন সড়ক ও স্থানীয় এলাকায় দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে বালু বোঝাই অসংখ্য ট্রাক।
পরিবেশ ঘাতক এই বালু ভর্তি যানবাহন দিনের বেলাসহ সার্বিক চলাচলের উপর নিয়মনীতি থাকলেও তা খাতা-কলমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা এবং পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিতে বিষয়টি নিয়ে যাদের মাথা ব্যাথা থাকার কথা, তারা নিরব থাকায়, নিয়ম-নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দৌলতপুরস্থ কবিরাজ ঘাট (পুরাতন লঞ্চঘাট) হতে প্রতিদিনই বালু বোঝাই করা ট্রাক দিনজুড়ে সর্বত্র দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বালু ব্যবসায়ীদের বালুবহনকারী ওইসব ট্রাকসমূহের চাকার সাথে বড় অংশের বালু সরাসরি সড়কের উপর ফেলছে, সেখান হতে বাতাসা মিশে সর্বত্র ছড়াচ্ছে, ট্রাকে বহনকারী বালু অধিকাংশ সময় ঢেকে না নেওয়া, নিয়মনীতির বাইরে থেকে ব্যবসায়ীদের ব্যবসা পরিচালনা করা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের তদারকির অভাবসহ বিবিধ কারনে ওই ট্রাকসমূহের নিগর্ত ধুলা-বালু বাতাসে উড়ে কলেজ তৎসংলগ্ন এলাকা বালুর শহরে পরিনত করছে। বালু দুর্ভোগে কলেজের শিক্ষার্থীরা, স্থানীয় এলাকার বাসিন্দারা, হোটেল ব্যবসায়ীসহ সাধারন পথচারী, ক্ষুদ্র পরিবহন চালকেরা হাঁফিয়ে উঠেছেন। চলন্ত যানবাহনে হঠাৎ, চোখে মুখে বালু ঢুকে একদিকে যেমন দূর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে, অপরদিকে বাড়ছে শ^াসকষ্টজনিত ব্যাধিও। বালুর দুর্ভোগ থেকে বাঁচতে ব্যবসায়ীরা দিনজুড়ে পানি ছিটিয়েও সুফল মিলছেনা ।
তথ্যসূত্রে জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তর (ডিওই) বাংলাদেশের পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান সরকারি সংস্থা। যেটি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে থাকে। এ সংস্থার প্রধান ও অন্যতম দায়িত্ব দূষণ নিয়ন্ত্রণে শিল্পকারখানা, প্লাস্টিক, পলিথিন, বায়ু, শব্দ এবং পানি দূষণ প্রতিরোধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া। দূষণকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান ও পরিবেশ আদালত পরিচালনা। অর্থ্যাৎ, দূষণকারী প্রতিষ্ঠান বা কারখানা বন্ধ বা অপসারণের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ক্ষতিপূরণ ধার্য করা এবং আইনানুগ মামলা দায়ের করা। গণসচেতনতা বৃদ্ধি ও জলবায়ু সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিতে এমন একটি গুরুত্বপূর্ন দপ্তরের হস্তক্ষেপ, তদারকি ও গুরুত্বারোপ না করায় খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর বিএল কলেজ সম্মুখেবছরের পর বছর ধরে দৃশ্যমান বালু নামের এই ‘দুর্ভোগ’ লাঘবে ক্ষুব্ধ হয়ে খুলনার নাগরিক নেতারা, সুশীল সমাজের সচেতন ব্যক্তিবর্গ, বিদ্যাপীঠের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও পরচারীসহ ভুক্তভোগীরা পরিবেশ অধিদপ্তরের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ সমস্যার উত্তোলনে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহনের আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর প্রবাহকে জানান, এই সমস্যা একদিনের নয়, বহু বছরের। এক সময় বিএল কলেজের রাস্তা বেহাল ছিল, যে কারণে ওই সময় বাতাসে ধূলা-বালু বেশি উড়তো। এখন নতুন রাস্তা হলেও দূর্ভোগ কমেনি বালু বহণকারী পরিবহনের জন্য। বালুর কারণে ব্যবসা করা দুষ্কর হয়ে পড়েছে, যারা বালুর ব্যবসা করছেন, তাদের সাথে আমাদের কোনো সংঘাত নেই, মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে ব্যবসা না করলে হয়। ধুলার কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যাপক সমস্যা হয়, চোখের ভিতর বাল ঢুকে যাচ্ছে। সমাধান কোথায়?
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মিতালি বই ঘরের মালিক ও ব্যবসায়ী মোক্তার আলী প্রবাহকে জানান, বালু কারণে হাঁপানি রোগ বেঁধে গেছে। ৪০ বছর ধরে বিএল কলেজ রোডে ব্যবসা করছি। ধুলার কারনে নতুন বই পুরাতন হয়ে যাচ্ছে। সারাদিন পানি ছিটিয়েও ধুলা থেকে রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি যাদের দেখার কথা তারা নিরব। বিএল কলেজ রোড বেলিফুল ফুড হাউজের ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোর্ত্তজা প্রবাহকে জানান, কলেজের শিক্ষার্থীরা এখানে খাবারের জন্য আসে। মানসম্মত খাবার পরিবেশনের চেষ্টা করি। কিন্তু খাবারের মান ভালো থাকলেও ধুলা-বালু মিশে খাবারকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে। আধ ঘন্টা পর পর টেবিল পরিস্কার করেও ধুলার হাত হতে মুক্তি পাওয়া যাচ্ছে না।
ভুক্তভোগী অয়ন নামের এক শিক্ষার্থী প্রবাহকে জানান, খুলনার গুরুত্বপূর্ন একটি প্রতিষ্ঠান সম্মুখে ধুলা-বালুর ব্যবসা করে দীর্ঘদিন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে, তারপরও পরিবেশ অধিদপ্তর চোখে কাঠের চশমা পড়ে বসে আছে, এ কোন দেশে আমরা বসবাস করি। আমাদের দুর্ভোগ সমাধান করা কি কেউ নেই।
অপর শিক্ষার্থী নাহিদা জামান প্রবাহকে জানান, কলেজ গেট সম্মুখে যত পাড়ি কম আসি, ধুলার কারনে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। চোখের ভিতর বালু ঢুকছে, হাচি হচ্ছে, জামা-কাপড় নষ্ট হচ্ছে। বালু বহনকারী পরিবহন চালকরা যে বেপরোয়া ভাবে গাড়ি চালিয়ে ধূলা উড়িয়ে দিয়ে যায় তাতে আর বেশিক্ষণ কলেজ সম্মুখে থাকা যায় না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট এখানের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানাচ্ছি।
সাবেক কাউন্সিলর এসএম হুমায়ূন কবির প্রবাহকে জানান, দক্ষিণাঞ্চলের এই বিদ্যাপীঠটির সম্মুখ দিয়ে বালু বহণকারী পরিবহন গিয়ে সকলস্থান ধুলা ধুলা করে ফেলছে। একই সাথে স্থানীয় এলাকা দিয়ে নানা অজুহাতে যাওয়ার সময় ট্রাকগুলির গতি এতো বেশি থাকে, যা দূর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। একই সাথে বাতাসে মিশে রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ী নষ্ট করছে, বিষয়টি অত্যন্ত কষ্টের। এ ব্যবসার সাথে সংশ্লিদের বোঝা উচিত সচেতন মানুষ হিসাবে বালু বহনের আগে অবশ্যই ওই পরিবহনটি ঢেকে নেওয়া, পানি ছেটানোসহ দুর্ভোগ লাঘবে বিবিধ পদক্ষেপ গ্রহন করা উচিৎ। পাশাপাশি শিক্ষক শিক্ষার্থী, পথচারীসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের দূর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন কোনো কাজ করা উচিৎও নয় বলে আমি মনে করি।
এ বিষয়ে মের্সাস নিউ এম হোসেন এন্ড কোম্পানী’র সত্ত্বাধীকারি মো. রিয়াজ শাহেদ জানান, আমি একা পুরাতন লঞ্চঘাট এলাকায় ব্যবসা করিনা, আরো অনেকে প্রতিষ্ঠানই ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে। আওয়ামীলীগ আমলেও অনেকে এ ব্যবসা করেছে। সুতারং, ধূলা-বালুর দূষণরোধে কেবল আমার একার মাথা ব্যাথা থাকবে কেন? সকলেরই মাথা ব্যাথা থাকা উচিত। সম্বলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিএল কলেজ সংলগ্নসহ দৌলতপুর স্থানীয় এলাকায় ধুলা-বালু প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে আমি মনে করি। এছাড়া আমার এখান থেকে যারা বালুর গাড়ি লোড করে তাদের স্পষ্ট ভাষায় বলে দেওয়া আছে, বালু ঢেকে না দিলে তাদের পরবর্তীতে বালু দেওয়া হবে না এবং পরবর্তীতে তাদের ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপও গ্রহন করবো। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে ব্যবসা পরিচালনা করা আমি কেন কারও উচিৎ নয় বলেও জানান এ ব্যবসায়ী।
এ বিষয়ে বালু ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান মিজা তরফদার প্রবাহকে জানান, দুর্ভোগ সৃষ্টি করে কখনো ব্যবসা পরিচালনা করি নাই। পূর্বের তুলনায় বর্তমানে নামে মাত্র ব্যবসা আছে। তারপর আবার কলেজ কর্তৃপক্ষ ডেকেছিল। তারা আমাদের জায়গায় প্রশাসনিক ভবন নির্মানের জন্য অধিগ্রহন করে নিতে চায়। তাদের জানিয়েছি, আইনগতভাবে জমি অধিগ্রহন করলে আমাদের আপত্তি নাই।
সার্বিক বিষয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরএমও ডা. হোসেন আলী প্রবাহকে জানান, ধূলিদূষণের কারণে স্বাস্থ্য চরম ঝুঁকিতে পড়ে। যার ফলে অ্যালার্জি ও অ্যালার্জিজনিত সমস্যা, অ্যাজমা ও শ্বাসনালীর প্রদাহ, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া ও ব্রংকাইটিসসহ দীর্ঘদিন ধূলিকণার সংস্পর্শে থাকার কারনে দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুসে কার্বন ও ধূলিকণা জমে ফুসফুসের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। প্রতিরোধে, ধুলাবালু এড়িয়ে চলা, মাস্ক ব্যবহার করা, রাস্তার আশপাশে অযথা দাঁড়িয়ে না থাকা, নিয়মিত মুখ ও নাক পরিষ্কার করা, ধূমপান এবং কলকারখানা বা যানবাহনের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন এ বিশেষজ্ঞ।
এ বিষয়ে ‘পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চ’ খুলনার সভাপতি এড. কুদরত-ই খুদা প্রবাহকে জানান, আমাদের সরকারি যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো আছে, এরা এখনও পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠানই রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে না। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা কোনো ব্যবসা পরিচালনা করা সচেতন মানুষের কাজ নয়। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে, পরিবেশ নষ্ট করে বালির ব্যবসা করা কোনোভাবেই আইনসিদ্ধ না এবং পরিবেশ বিনাশকারী এবং এটা দেখার দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের। কিন্তু পরিবেশ অধিদপ্তর তারাও যদি এটা খেয়াল না করে, পুলিশ প্রশাসন যদি খেয়াল না করে, এখানে খুব স্বাভাবিকভাবেই অনিয়ম। প্রভাবশালী ব্যক্তিরাই এই ব্যবসার সাথে জড়িত, যাদের কাছে এরা জিম্মি হয়ে আছে, যেটা খুবই দুঃখজনক এবং সত্য। জনদুর্ভোগ লাঘবে এখনই সরকারি প্রশাসনকে, বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরকে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।
এ বিষয়ে সরকারি বিএল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রবাহকে জানান, এই কলেজটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের স্বনামধন্য একটি বিদ্যাপীঠ। পরিতাপের বিষয়, একটি পক্ষ কলেজের জায়গা ব্যবহার করে ধুলা-বালুর ব্যবসা করে কলেজ ও শিক্ষার্থীদের চরম হুমকির মুখে ফেলছেন। ছুটে চলা বালু ভর্তি পরিবহনগুলো প্রতিনিয়ত ধূলি দূষণ করছে, যা শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলছে। বিশেষ করে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হচ্ছে, প্রতিদিনই শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে অভিযোগ দিচ্ছে। দুর্ভোগের সমাধান চেয়ে ইতোমধ্যে খুলনা জেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করেছি। এছাড়া দুর্ভোগের সমাধানে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের নিকট দরখাস্ত দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলার সহকারি পরিচালক মোঃ হারুন-অর-রশীদ প্রবাহকে জানান, পরিবেশ হুমকিতে ফেলে এবং জনদুর্ভোগ করে সৃষ্টি করে কোনো ব্যবসা পরিচালনা করা বিবেকবান মানুষের কাজ নয়। দৌলতপুর বিএল কলেজ রোডে ধুলা-বালুতে চরম দুর্র্ভোগ বেড়েছে-এমন বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। এক্সিকিউটিভ ম্যাস্ট্রিটেড না থাকার ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারিনি, দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় পরিচালক রখান্দকার মো.ফজলুল হক প্রবাহকে জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি বহু আগে। যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করতে জেলার দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহন করছি।
এ বিষয়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু প্রবাহকে জানান, বিএল কলেজ সম্মুখে ধুলি দূষণরোধে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে ব্যবস্থা নিচ্ছি।



