অভিজিৎ দীপকের অনুপস্থিতিতে সিজেপির আন্দোলনের নেতৃত্বে নতুন মুখ

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে আগে ধারণ করা একটি ভিডিওতে বলেছেন, তিনি, দলের মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রঙ্কা পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তরে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবেন দলের জাতীয় সাংগঠনিক ইন-চার্জ অজিঙ্ক শিন্ডে। গ্রেপ্তার হওয়ার শঙ্কায় শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভিডিওটি ধারণ করে রেখেছিলেন দীপকে। কে এই অজিঙ্ক শিন্ডে? ৩৫ বছর বয়সী শিন্ডে মহারাষ্ট্রের লাতুরের বাসিন্দা। তিনি রায়গড়ের লোনেরেতে অবস্থিত ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি (ডিবিএটিইউ) থেকে বিটেক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গত আগস্ট মাসে দীপকে তাকে দলের জাতীয় সাংগঠনিক ইন-চার্জ হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার ঘোষণা দেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে মুম্বাইতে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছিলেন শিন্ডে। এর মাধ্যমে তিনি মুম্বাই শহরে দলটির অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে ওঠেন। পুরো ভারতে সরকারি স্কুলের মান উন্নত করার লক্ষ্যে সিজেপির চালানো ‘স্কুল ঠিক করো’ প্রচারণাতেও তিনি অন্যতম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। সমর্থকরা যখন এই ভিডিওটি দেখছেন, তখন তারা যেন শিন্ডের নির্দেশনা মেনে চলেন– ভিডিওতে সেই আহ্বান জানিয়েছেন দীপকে। এর মাধ্যমে তিনি ইঙ্গিত দেন, ততক্ষণে তিনি নিজে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রঙ্কা নিশ্চয়ই আটক হয়েছেন। সিজেপির তথ্য অনুযায়ী, দিল্লিতে অবতরণ করার পরপরই প্লেনের ভেতর থেকে দীপকে, দাস ও রঙ্কাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যন্তর মন্তরে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নিতে এই তিন নেতা মুম্বাই থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন। এদিকে, সিজেপির আন্দোলনের নেতৃত্বে আসা অজিঙ্ক শিন্ডে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা শুরুর দাবি আবারও তুলে ধরেছেন। একইসঙ্গে তিনি ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা স্থগিত করার এবং নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত ২০২৩ সালের আইনটি বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।



