খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেট নির্মাণ কাজ শেষ হয়েও যেন হচ্ছে না

# একটি কালভার্ট এলাকাবাসীর জন্য দুর্ভোগের কারণ #
স্টাফ রিপোর্টারঃ খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেট নির্মাণ কাজ যেন শেষ হয়ে হচ্ছে না। গত কয়েক মাস ধরে চলছে ফিনিশিং-এর কাজ। মার্কেটের চারপাশের ড্রেন ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কাজ চলছে। তবে তা এত ধীর গতিতে চলছে। এতে করে জনভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার ও প্রকৌশলীকে বিষয়টি মৌখিকভাবে একাধিকবার অবগত করলেও তারা কর্ণপাত করছেন না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। খালিশপুর পৌর সুপার মার্কেট নির্মাণ কাজ অনেক আগেই শুরু হয়েছিল। এ জন্য শতাধীক ব্যবসায়ী দীর্ঘ দিন ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সড়কের ওপর অস্থায়ী ছাউনি দিয়ে ব্যবসা করছে। তৃতীয়তলা বিশিষ্ট মার্কেটটি মূল ভবন নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। মার্কেটের আশপাশের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে খুবই ধীর গতিতে। মার্কেটের দক্ষিণ পূর্ব কোণায় চলছে মার্কেটের পানি বের হওয়ার জন্য ড্রেনের কাজ। কিন্তু ড্রেনের অর্ধেক কাজ করে ঠিকাদার দীর্ঘ দিন ফেলে রেখে দেয়। এতে করে জনভোগান্তি চরমে পৌছায়। এলাকার বাসিন্দা হারুনর রশিদসহ অনেকে বলেন, বন্ধ লাইনটি এক মুখী রাস্তা। কাল ভার্ট নির্মাণ করার জনভোগান্তি বেড়েছে। কালভার্টটি অর্ধেক নির্মাণ করে বাকী অংশ প্রায় ২ মাসের মত ফেলে রেখেছে। এছাড়া চারদিকে নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রেখেছে। এতে করে চলাচলে ভোগান্তি বাড়ছে। ঠিকাদার কাজ অনিয়মভাবে করার চেষ্টা করে। তারা বাধা দিয়ে কাজ সঠিকভাবে করানোর চেষ্টা করছেন। বেহাল সড়কটি অতিদ্রুত মেরামত করার জন্য তারা কেসিসির প্রশাসক নরজরুল ইসলাম মঞ্জুর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। সংশ্লিষ্ট কাজের উপ সহকারি প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, গত ২০/২৫ দিন ধরে কাজটি পড়ে রয়েছে। আর ঠিকাদার ৯-৫টা পর্যন্ত কাজ করতে পারবেন। ঠিকাদার চাইলেও রাতে কোন কাজ আমরা করতে দিব না। আগামী ৩ দিনের মধ্যে ড্রেনের কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে তিনি জানান। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে কোভিড’১৯ প্রজেক্টের আওতায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে এ মার্কেটের বাকী কাজ শুরু হয়। সে মোতবেক কাজ শেষ করার কথা ছিল ২০২৫ সালের ৩০ জুন। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ঠিক সময় কাজ শেষ করতে না পেরে বারবার সময় বৃদ্ধি করে কাজ শেষ পর্যায়ে এনেছে।ওই সময় খরচ ধরা হয় ৫ কোটি ৩ লাখ টাকার বেশী। পরে তা আরো বাড়ানো হয় বলে সূত্রটি জানান।



