রোগী নিয়ে হাসপাতালে ঢুকতেই দালালের ফাঁদ : ৪ জনের কারাদ-

# পাবনা মানসিক হাসপাতাল #
প্রবাহ রিপোর্ট ঃ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগী নিয়ে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ঢুকতেই ঘিরে ধরে দালাল চক্র৷ এরপর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বিভ্রান্ত করে রোগী ও তার স্বজনদের সঙ্গে প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়া হয় বিপুল টাকা। এমন অবস্থায় হাসপাতাল চত্বর থেকে দালাল চক্রের চারজনকে আটক করে কারাদ- দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (১ নভেম্বর) জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যে হাসপাতালের বহির্বিভাগে অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে ধরে এ দ- দেওয়া হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন পাবনা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম ফুয়াদ। দ-প্রাপ্তরা হলেন- হেমায়েতপুরের শহিদুল ম-লের ছেলে ইদ্রিস, একই এলাকার আ. বারেকের ছেলে সুজন আলী, তৈয়ব আলীর ছেলে জাকির হোসেন ও চাঁদ আলীর ছেলে মাসুদ রানা। আভিযানিক দল জানায়, পাবনা মানসিক হাসপাতাল মানসিক রোগের চিকিৎসায় দেশের একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগী নিয়ে আসেন স্বজনরা। কিন্তু তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তাদের বিভ্রান্ত করে বাইরের বেসরকারি মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করার নামেসহ নানাভাবে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে এ দালাল চক্রের সদস্যদের শাস্তির আওতায় আনলেও আবার সম্প্রতি দালাল চক্রের বেশকিছু সদস্য সক্রিয় হয়ে একইভাবে প্রতারণা করছেন। এজন্য রোববার এনএসআইয়ের গোপন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে দেখা যায়, অটোবাইকে করে রোগী নিয়ে হাসপাতালের বহির্বিভাগে ঢুকতেই দালাল চক্র রোগীর স্বজনের অটোবাইক আটকে তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। আবার কোনো দালাল সড়কে দাঁড়িয়ে ও কোনো দালাল পাশের দোকানে দাঁড়িয়ে রোগীর স্বজনদের বিভ্রান্ত করে প্রতারণার ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছেন। এমন অবস্থায় তাদের আটক করার পর প্রত্যেককে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদ- দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম ফুয়াদ বলেন, এ চক্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় অভিযান চালালেও কিছুদিন পর আবার তারা সক্রিয় হয়। সম্প্রতি সক্রিয় হয়ে চক্রটি রোগীর স্বজনদের হয়রানি করছিল। অভিযানে গিয়ে হাতেনাতে চারজনকে ধরে কারাদ- দেওয়া হয়। অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে এ ধরনের অন্যায় কার্যক্রম করতে দেওয়া হবে না।


