মাঠে সংঘর্ষের পর মিগেলের মৃত্যুতে শোকাহত মেসি

প্রবাহ স্পোর্টস ডেস্ক ঃ ফুটবল মাঠে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়ে মারা গেছেন স্প্যানিশ ক্লাব টেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেল আলামেদা। ৩০ বছর বয়সী এই ফুটবলারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলামেদার ছবি পোস্ট করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে আলামেদার একটি সাদাকালো ছবি শেয়ার করে মেসি লেখেন, ‘কিছু বলার ভাষা নেই… তার পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি আমার সমবেদনা এবং তাদের এই কঠিন সময়ে অনেক শক্তি কামনা করছি। তার আত্মা শান্তিতে থাকুক।’ মেসির পাশাপাশি শোক প্রকাশ করেছে ইউরোপের বেশ কয়েকটি বড় ক্লাব। পিএসজি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডসহ বিভিন্ন ক্লাব আলামেদার মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়েছে। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে। সোমবার ম্যাচ খেলতে নেমে অ্যান্ডোরার গোলরক্ষক হেসুস ওওনোর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন আলামেদা। সংঘর্ষের পরপরই তাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়। ওই ঘটনায় ওওনোকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। মাঠে সতীর্থদের কান্নার দৃশ্যও ধরা পড়ে সম্প্রচারিত ফুটেজে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘর্ষের পর আলামেদার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও শুরুতে স্থিতিশীল ছিল। তবে মঙ্গলবার সকালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে টেনেরিফ ক্লাব। ক্লাবটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে জানায়, ‘গভীর শোক ও অবিশ্বাসের সঙ্গে আমরা জানাচ্ছি, ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর সকাল ৮টায় হেসুস দে মিগেল আলামেদার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই শোকের কোনো সান্ত¡না নেই। তার শোকাহত পরিবার, স্বজন এবং আজ যারা তার জন্য কাঁদছেন, সেই টেনেরিফের সবার পাশে আমরা আছি।’ বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, আলামেদার পরিবার তাদের প্রতি জানানো সহমর্মিতা ও সমর্থনের জন্য সবার কাছে কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে এই কঠিন সময়ে পরিবারের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান দেখানোর অনুরোধ জানিয়েছে তারা। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাসপাতালে নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় আলামেদার। পরে চিকিৎসাকর্মীরা তাকে পুনরুজ্জীবিত করতে সক্ষম হন। তবে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ে হার মানেন এই ফুটবলার।



