স্থানীয় সংবাদ

মাদক কর্মকর্তার কর্মস্থল মাগুরায় : অফিস করে খুলনায়

নেই কোন লিখিত অফিস আদেশ, বেতন তোলেন মাগুরা থেকে রেশন তোলেন খুলনা অফিস থেকে

স্টাফ রিপোর্টার ঃ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সহকারি উপ-পরিদর্শক মো: নুরুজ্জামান। তাকে গত ২০২৩ সালে মাগুরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের বদলী করা হয়। সেখানে একদিন এসে যোগদান করেই, খুলনা বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অফিস করছেন। নেই কোন কর্তৃপক্ষের লিখিত আদেশ। মৌখিক নির্দেশে খুলনায় অফিস করছেন। আবার ্েবতন তোলেন মাগুরার অফিস থেকে এবং রেশন নেন খুলনা বিভাগীয় অফিস থেকে। যা সরকারি চাকরি নীতিমালা অনুযায়ী বৈধ নয়। জানা েেগছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সুরক্ষা সেবা বিভাগ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক ( প্রশাসন, অর্থ ও পরিকল্পনা) কাজী আবেদ হোসেন এর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে খুলনা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়ের সহকারি উপ-পরিদর্শক মো: নুরুজ্জামানকে ২০২৩ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের মাগুরা কার্যালয়ে বদলী করা হয়। ওই বদলী আদেশে সে মাগুরা জেলা কার্যালয়ে যোগদান করেন। এরপর থেকেই সে খুলনায় মাদকদ্রব্্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে বিভাগীয় কার্যালয়ে অফিস করছেন। নেই কোন অফিসিয়াল আদেশ। মৌখিক নির্দেশে সরকারি চাকরি বিধি নিয়ম না মেনে খুলনায় অফিস করছেন। আবার বেতন তোলেন মাগুরা থেকে এবং রেশন তোলেন খুলনা থেকে। যা সরকারি চাকরি নিয়ম বহির্ভুত।
এ ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের মাগুরা জেলার উপ-পরিচালক মো: নাসির উদ্দিন গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি স্বীকার করে এ প্রতিবেদককে বলেন, গত ২০২৩ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে গোায়েন্দার সহকারি উপ-পরিদর্শক মো: নুরুজ্জামানকে খুলনা থেকে মাগুরায় বদলী করা হয়েছে। এখানে যোগদান করেই, পরে আবার খুলনায় অফিস করছেন। বেতন তোলেন মাগুরা কার্যালয় থেকে এবং রেশন তোলেন খুলনা অফিস থেকে। সরকারি চাকরি বিধি নিয়ম অনুযায়ী কোন উদ্ধর্তন কর্মকর্তার মৌখিক আদেশে মাগুরা কর্মস্থল থাকা অবস্থায় খুলনয় অফিস করতে কি পারেন। এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি আজ ( বৃহস্পতিবার) তাকে আমার অফিসে ফিরিয়ে নিয়ে আসবো। ওই কর্মকর্তা স্বীকারও করেন, যে লিখিত কোন আদেশ নেই, যে সে খুলনায় অফিস করবেন। এ ব্যাপারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় অতিরিক্ত পরিচালক মো: আহসানুর রহমান বলেন, খুলনায় অফিসে লোক কম তাই গোয়েন্দা সহকারি উপ-পরিদর্শক মো: নুরুজ্জামানকে খুলনা কার্যালয়ে অফিস সহকারি হিসেবে কাজ করছেন। তাকে মৌখিক নির্দেশে এখানে অফিস করানো হচ্ছে।
জানা গেছে, খুলনাঞ্চল অফিসে অফিস সহকারি হিসেবে আছেন ইসহাক উজ জামান। সে থাকা সত্বেও ওই গোয়েন্দা সহকারি উপ-পরিদর্শক মো: নুরুজ্জামানকে খুলনা কার্যালয়ে অফিস সহকারি হিসেবে কাজ করানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button