খুলনায় হাসিনার চার চাচতো ভাইসহ খালেক, কামাল, মুন্নুজানের বিরুদ্ধে দু’টি মামলা

স্টাফ রিপোর্টারঃ সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪ চাচাতো ভাই খুলনা-২ সংসদ সদস্য শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, শেখ সোহেল, শেখ রুবেল ও শেখ বাবু, সাবেক খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক, খুলনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এস এম কামাল হোসেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়াননের বিরুদ্ধে ২ টি মামলা হয়েছে। নগরীর খালিশপুর থানায় বৈকারীমোড়ে ৯নং ও ১৫নং ওয়ার্ড বিএনপি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে পৃথক মামলা দু’টি দায়ের করা হয়েছে। ৯নং ওয়ার্ডের শেখ দবীর ও ১৫ নং ওয়ার্ডের কাজী মো. ইকরাম মিন্টু বাদী হয়ে ২৩ আগস্ট দিবাগত গভীর রাতে মামলা দুটো দায়ের করেন। দু’টি মামলার বেশিরভাগ আসামি একই ব্যক্তি। শেখ দবিরের দায়ের করা মামলায় ১১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় আরও ২০/২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি অফিস ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ আনা হয়। আসামীরা হলো, ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাহফুজুর রহমান লিটন, সাবেক সংসদ সদস্য এসএম কামাল হোসেন, সাবেক মেয়র তালুকদার আঃ খালেক, মহানগর আ’লীগের সাঃ সম্পাদক এমডি বাবুল রানা, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড. সাইফুল ইসলাম, মহানগর যুবলীগের সাঃ সম্পাদক শেখ শাহজালাল সুজন, ১৫নং আ’লীগ নেতা মোঃ শফিউল্লাহ, ৭নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি শেখ মুরাদ হোসেন, জিরোপয়েন্টের হাফিজুর রহমান হাফিজ, জেলা যুবলীগের সভাপতি চৌধুরি রায়হান ফরিদ, জেলা আ’লীগ নেতা কামরুজ্জামান জামাল, সাবেক কাউন্সিলর শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন, সাবেক যুবলীগ নেতা এড. আনিচুর রহমান পপলু, বৈকালীর শেখ জাকির হোসেন, গাবতলার আজগর সরদার, বৈকালীর রাকিব শেখ, বৈকালীর নাসির সরদার, পদ্মারোডের তলাম, খালিশপুরের জুয়েল হোসেন দিপু, মাসুদ, শহিদুল ইসলাম মৃধা, মোঃ ফরিদ, পলাশ, রোকন, হানিফ, মফিজ, সোহেল, শাহিন, আসাদুল, হাসান, ওমর, দুলু, এনামুল হক বাবুল, মুজিবর রহমান, সোহেল, বেল্লাল, নাঈম সরদার, সিদ্দিক, অনিক, জাহিদুল ইসলাম রিয়াদ, কানা সেলিম, সোনাডাঙ্গা থানা আ’লীগের সভাপতি বুলু বিশ্বাস, ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদ পিন্টু, বৈকালীর নয়ন, সোনাডাঙ্গা থানা আ’লীগের সাঃ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, কাউন্সিলর রাজুল হাসান রাজু, কাউন্সিলর জাকির হোসেন বিপ্লব, কাউন্সিলর টিটো, কাউন্সিলর মোজাফ্ফার রশিদী রেজা, কাউন্সিলর মিঠু, সাবেক কাউন্সিলর কাজী তালাত হোসেন কাউট, কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম মুন্না, কাউন্সিলর খুরশিদ আহমেদ টোনা, মহানগর আ’লীগ নেতা মোঃ আশরাফুল ইসলাম আশরাফ, কাউন্সিলর শরিফুল ইসলাম প্রিন্স, কাউন্সিলর সাইদুর রহমান সাঈদ, মুজগুন্নীর চমচম, খোকন ড্রাইভার, কাউন্সিলর শাসুদ্দীন আহমেদ প্রিন্স, তার ভাই মিল্টন, কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী, কাউন্সিলর গোলাম রব্বানী টিপু, কাউন্সিলর মাস্টার আঃ সালাম, কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মুকুল, গোবরচাকার ওয়াহিদ মোড়ল, গফ্ফার বিশ্বাসের ছেলে শিবলী বিশ্বাস, ১২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোঃ মনিরুজ্জামান মনি, রেলওয়ে কলোনীর বাবু, জামিরুল হুদা জহর, বুলু বিশ্বাসের ছেলে পরশ বিশ্বাস, শামীম সরদার, মনির হোসেন, মোস্তফা নজর, পাবলার দোলন কুমার মিস্ত্রী, রায়েরমহলের শাহজাহান জমাদ্দার, শেখ ওয়াজিদ ইসলাম রাকিব, মুজগুন্নীর জনি কাজী, ১১নং ওয়ার্ড আ’লীগের সাঃ সম্পাদক সরদার আলী আহমেদ, কাউন্সিলর নাইমুল ইসলাম খালেদ, হারেজ খানের ছেলে আকরামুজ্জামান, পিপলস পাচতলার কামরুজ্জামান শিকদার, সাবেক মন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শফিকুর রহমান পলাশ, কাজী ফয়েজ মাহমুদ, ইকবালনগরের ডলার, ইকবালনগরের কাজল, আবুল কালাম আজাদ, দেয়ানার সোহাগ, সরোয়ার হোসেন, রেলিগেটের আসিফুর রশীদ আসিফ, বানিয়াখামারের শওকত, রিপন, মাসুদ, সাবেক এমপি শেখ সালাহ উদ্দীন জুয়েল, তার ভাই শেখ সোহেল, শেখ রুবেল, শেখ বাবু, হাফেজ শামীম, ফারুখ হোসেন, অনিক, ইকবাল হোসেন, শেখপাড়া বাজারের রকিবুল ইসলাম রকি, বৈকালীর হাফিজ, মহানগর ছাত্রলীগের সাঃ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল, দেব দুলাল বাড়ই বাপ্পী, রনবীর বাড়ই সজল, কাউন্সিলর ফকির সাইফুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন। ইকরাম মিন্টুর মামলায় ১০৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয় ২৫/৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় ২০২৩ সালের ২২ অক্টোবর ১৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামীরা হলো, কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম মুন্না, সাবেক সংসদ সদস্য এস এম কামাল হোসেন, সাবেক মেয়র তালুকদার আঃ খালেক, এমডি বাবুল রানা, এড. সাইফুল ইসলাম, কাউন্সিলর লিটন, সাঈদ, খালেদ,সমির দত্ত, যুবলীগের সুজন, সফিউল্লাহ, মোরশেদ আহমেদ মনি, টোনা, আসলাম আলী, জনি মিয়াসহ ১০৫জন। এজাহারে বাদিরা উল্লেখ করেন, তৎকালীন সময়ে বাদি সহ স্থানীয় বিএনপি নেতারা মামলা করার চেষ্টা করে ব্যর্থহন। কিন্তু গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতন ও দেশ ছেড়ে পলায়নের পর নতুন নিরপেক্ষ সরকার গঠিত হওয়ায় এবং দেশের রাজনৈতিক অবস্থা স্বাভাবিক হওয়ায় কিছুটা বিলম্বে তারা এজাহার দায়ের করেছেন।খালিশপুর থানার ওসি জানান, মামলা দু’টি রেকর্ড করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


