সেই আলী আজিম জামিনে বের হয়ে এসেই বিএনপি নেতা রিয়াজকে প্রকাশ্যে হুমকি

স্টাফ রিপোর্টারঃ সেই আ’লীগের সক্রিয় কর্মী আলী আজিম জামিনে বের হয়ে এসেই বিএনপি নেতা রিয়াজ পারভেজ শাহেদকে প্রকাশ্যে সমাবেশ করে দেখে নেয়ার হুমকি দিয়েছে। এতে করে এই বিএনপি নেতাসহ তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। নিজ ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে ৩০ জানুয়ারী তিনি খালিশপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,“আমি আলহাজ্ব মোঃ রিয়াজ পারভেজ শাহেদ, পিতাঃ মৃত, মনোয়ার হোসেন মন্টু, সাং-১৭, এস/ও ক্রস রোড, রাজধানী মোড়, কাশিপুর, খালিশপুর, খুলনা, সাবেক আহবায়ক-৭নং ওয়ার্ড বিএনপি, সাবেক সভাপতি- সরকারি বি.এল. কলেজ ছাত্রদল। আলী আজিম (৪৯) ও মীর মোকসেদ (৫৫) অত্র এলাকার বাসিন্দা। ১নং বিবাদি আওয়ামীলীগ নেতা। তাকে খালিশপুর থানায় দায়েরকৃত ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির অফিস ভাংচুরের ৪/২৪ নং মামলার ৭৪ নং আসামী ডিবি পুলিশ কর্তৃক গত ২৬ জানুয়ারী গ্রেফতার হলে খালিশপুর থানা পুলিশ তাকে জেল-হাজতে প্রেরণ করে। ২৯ জানুয়ারী সে জামিনে মুক্তি পেয়ে ৩০ জানুয়ারী কাশিপুর ট্যাংকলড়ির মোড়ে সকাল ১১টায় সমাবেশের মাধ্যমে প্রকাশ্যে মাইকে বক্তব্য দিয়ে বলে “৭নং ওয়ার্ডের রিয়াজ তুই আমাকে গ্রেফতার করিয়েছিস। তোর কোন লোক নেই। আমি ডাকলে ২০০০ লোক বের হবে।” সে আমাকে দেখে নেবে বলে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদান করে, হত্যার হুমকি দেয়। ২নং বিবাদিও তার বক্তব্যে একইভাবে আমাকে হুমকি ধামকি প্রদান করেন। এই আওয়ামী সন্ত্রাসীরাই গত ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিএল কলেজের ২য় গেটে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। যার কারনে আমি আজও পঙ্গুত্ব অবস্থায় দিনযাপন করছি। উল্লেখ্য যে, বিবাদি দু’জনের সম্পূর্ণ বক্তব্যের ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। এমতাবস্থায় আমি ও আমার পরিবার প্রাণ সংশয়ে আছি। উল্লেখ্য, এই আ’লীগের সক্রিয় কর্মী আলী আজিমকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাকে মুক্তির জন্য ট্যাংক লরী শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানারে তেল সেক্টরে পতিত সরকারের দোসররা বিশৃংখলা সৃষ্টি করে। বিষয়টি বিএনপিসহ জুলাই-আগস্ট ধারণকারীরা ভালভাবে নেয়নি। তারা এই ফ্যাসিস্টদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। খালিশপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।



