একুশে বইমেলায় দোকান সাজাতে ব্যস্ত স্টল মালিকরা

# জুলাই-আগস্ট কর্ণার নজর কেড়েছে দর্শকদের #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাতাসে ভাসছে বসন্তের আগমনী গন্ধ। তবে বসন্ত আসতেও এখনো বাকি কিছু দিন। আর এই বসন্তের আগমনের আগেই শুরু হয়েছে অমর একুশে বইমেলা। রবিবার দ্বিতীয় দিনে নগরীর বয়রাস্থ খুলনা বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে চলছে এই বই মেলা। সন্ধ্যার পর আলোর ঝলকানিতে দর্শকদের মাতিয়ে তুলছে। মেলায় স্টল নিয়েছে সন্তু, জান্নাতুল ও কীনজল আহমেদ নামের তিন ভাইবোন। তারা বলেন, আমরা ছোট বেলা টিভিতে দেখেছি যে ঢাকায় বইমেলায় কাউকে দেখে তার ছবি আঁকে দিচ্ছে। সেখান থেকে আজকের এই স্টল নেওয়া। ছবি আঁকবো বা হ্যান্ড মেড জুয়েলারি ক্রেতার পছন্দ মতো তৈরি করে দিবো। মেলায় তো বইয়ের অনেক দোকান আছে দেখি ছবি এঁকে যদি মানুষকে একটু আনন্দ দিতে পারি। শেখ শাহরিয়ার আকাশ বলেন, আমি এই প্রথম আমার আপুর সাথে বই মেলায় এসেছি। যেহেতু দ্বিতীয় দিন তাই একটু ঘোরাঘুরি করছি। বই মেলায় এসে জুলাই-আগস্ট মঞ্চে বিভিন্ন ছবি আঁকা হয়েছে দেখেছি। মঞ্চে দেশের গান চলছে। এক কথায় প্রথমবার প্রথম দিন বই মেলায় এসে ভালো লাগছে। আশা করবো মাসের বাকি দিনগুলোতে মেলার পরিবেশ ভালো থাকবো। গাইডেন্স প্রকাশনীর আসাদুল জামান রানা বলেন, এই বছর আমরা প্রথম মেলায় স্টল নিয়েছি। স্টলে শুধু আমাদের প্রকাশনীর বই এসেছে এর বাইরে আরো কিছু বই দোকানে আসবে। যেহেতু মেলার দ্বিতীয়দিন তার জন্য এখনো দোকান পুরোপুরি সাজানো হয়নি।তিনি আরোও বলেন, পাতার ভাঁজে ফুলের সুবাস নামে আমার একটি একক কাব্য গ্রহন্ত প্রকাশিত হয়েছে। বইয়ের প্রতিটি পাতায় পাতায় কিছু সুন্দর সুন্দর ছড়া ও কবিতা পাওয়া যাবে। যেখানে ব্যাক্তি জীবনে বা পরিবারের জীবনে এর সামাজিকতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেই জন্য বইয়ের নাম রাখা হয়েছে পাতার ভাঁজে ফুলের সুবাস। কবি এজি রানা সন্ধ্যা ৭টার দিকে বলেন, মেলায় দর্শক সমাগম ভাল। গেটে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের বই রাখা নিয়ে যে সমস্যা ছিল তা সমাধান হয়েছে। উল্লেখ্য, বইমেলা প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এবারের বইমেলায় রয়েছে ১০০টি স্টল। রয়েছে বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থীদের ব্যাপক পদচারণা। ইতোমধ্যে সবগুলো স্টলই বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। মেলাকে ঘিরে সিসি ক্যামেরামসহ কঠোর নিরাপত্তা থাকছে।



