দৌলতপুর মেট্টোপলিটন কৃষি অফিসের কৃষক প্রশিক্ষণ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে খুলনা কৃষি অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন প্রকল্পের আওতায় রবিবার সকাল ১১ টায় ডিএই অডিটোরিয়ামে দৌলতপুর মেট্রো পলিটন কৃষি অফিসের আয়োজনে কৃষক ও কৃষাণীদের নিয়ে জলাবায়ু সহনশীল প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিযোজন কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিসহ ফসলের বৈচিত্রায়ন কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন, দৌলতপুর মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম ফেরদাউস। প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে প্রশিক্ষণে স্বাগত বক্তৃতা করেন খুলনা খামার বাড়ীর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন, সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া’র সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার কৃষিবিদ ড. এস এম ফেরদৌস ও কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক(পিপি) এস এম মিজান মাহমুদ । এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর মেট্রোপলিটন উপ-সহকারী কৃষি অফিসার সমির কুমার ঘোষ,মারিয়া হক মিতুলসহ সকল পর্যায়ের কৃষক ও কৃষাণীগণ । মাঠ দিবস সঞ্চালনায় ছিলেন দৌলতপুর মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসের উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার হিরন্ময় কুন্ডু। বক্তারা এ সময় বলেন, খুলনা অঞ্চলের কৃষিতে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি থাকায় কৃষকেরা আধুনিক কৃষিতে পিছিয়ে পড়ছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, উচ্চ তাপমাত্রা, ঝড়, জলচ্ছাসের কারণে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় হাজার হাজার হেক্টর জমি অনাবাদী থাকে। এসব দিক বিবেচনা করে প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় ও জলবায়ু অভিঘাত সহনশীল ফসল ও ফসলের জাত চাষের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো সম্ভব হবে। আমরা দেশের খাদ্য সংকট এবং তেল সংকট থেকে উত্তরণের জন্য আমন মৌসুমে রোপা আমন কাটার ১০/১৫ দিন আগে বাড়তি ফসল হিসেবে বারি সরিষা ধানের মধ্যে ছিটিয়ে দিলে ৭০ থেকে ৮০ দিনের মধ্যে সরিষা কেটে তুলতে পারি। এরপরই আমরা বোরো ধান চাষ জমি তৈরি করতে পারি। তাই আমরা স্বল্প মেয়াদী ধান লাগিয়ে বাড়তি একটি ফসলের চেষ্টা করব। আমাদের পাশে বা বাড়ীর আঙ্গিনায় যে খালি জায়গা রয়েছে এ সকল জায়গায় আমরা ফেলে না রেখে পেঁপে গাছ,শাকসবজি ও বস্তায় জৈব সার মিশ্রিত মাটি ভরে চৈত্র বৈশাখ মাসে আদা চাষ করতে পারি। এতে নিজেদের চাহিদা মিটবে।



