ফেব্রুয়ারীর দুটি দিবসে গদখালিতে ৫০ কেটি টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্য

শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ ফুলের রাজ্য যশোর ঝিকরগাছা গদখালিতে চলতি মাস ফেব্রুয়ারীতে দুটি দিবসে প্রায় ৫০ কোটি টাকার ফুল বিক্রির লক্ষ্য নিয়েছে ফুল চাষিরা। বিশ^^ভালবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শুধু এই দুটি দিবসে ৫০ কেটি টাকার ফুল বিক্রি হবে বলে আশাবাদি স্থানীয় চার-পাঁচ হাজার ফুল চাষিরা। ইতোমধ্যে বিশ^ ভালবাসা দিবস উপলক্ষে ফুল বিক্রি জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন এসব চাষিরা। স্থানীয় ফুল চাষি মোঃ সিরাজুল বলেন, আমাদের ঝিকরগাছা উপজেলা গদখালিতে সকলেই ফুলের চাষ করে উপার্জন করে। এ অঞ্চল হতে উৎপাদিত ফুল রাজধানিসহ সারা দেশে ফুল সরবারাহ করা হয়। তিনদিন পর ১৪ ফেব্রুয়ারীতে বিশ^ভালবাসা ভালবাসা দিবস উপলক্ষে মরা আশাবাদি ৩০ থেকে ৪০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হবে এমনকি এর থেকে বেশিও গতে পারে বিক্রি। তবে গেল বছর অতি তীব্র তাপদাহও অতিবৃষ্টির কারণে বেশ ক্ষতি হয়েছে ফুলের আবাদ। আমরা এসব ধকল কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছি। মুলত ডিসেম্বর হতে এপ্রিল মে পযন্ত ফুলের উৎপাদন বেশি হয়। এছাড়া অন্য সময়ে তেমনটি বেচা বিক্রি হয়না। কোন পর্যটকরা ফুলের আবাদ দেখতে আসলে বিক্রি হয়। এখন প্রতিদিন খুব সকালে গদখালি পানিসরায় মাঠের মধ্যে ফুলের পসরা নিয়ে বসে থাকতে হয়। আর পাইকারী ব্যবসায়িরা এসব ক্রয় করে। আমরা সাধারণত গোলাপ আকার ভেদে ৭ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করি এই দিবসকে সামনে রেখে অন্য সময় এর অর্ধেক দামে বিক্রি করতে হয়।পাশাপাশি গাদা ফুল আমরা এক হাজার বিক্রি করি ৩৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা, রজনীগন্ধা ফুল ৬ টাকা, যারবেরা ১০ থেকে ১২ টাকা, গ্লাডিওয়ালস, ফুল ১৫ টাকা তবে চন্দ্রমল্লিকা ফুলের দাম ৩৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়। এ বিষয়ে স্থানীয় আরেক ফুল চাষি মুজিবুর রহমান বলেন, আমি এবার এক বিঘা জমির উপর ফুলের চারা রোপণ করে চাষ শুরু করেছি। গোলাপ আর রজনীগন্ধা ফুলের চাষ করেছি। সব মিলিয়ে খরচ পড়েছে গোলাপ ফুলে ৭০ হাজার টাকা আর রজনীগন্ধা ফুলে ৩০ হাজার। এসব খরচ বাদে আমার দেড় লাখ টাকা উপার্জন হবে বলে আশাবাদি। এই ফেব্রুয়ারী মাস ছাড়া ফুলের চাহিদা তেমনটি থাকেনা। পাশাপাশি ১৬ ডিসেম্বরসহ নববর্ষ, ও অন্যান্য দিবসে একটু বিক্রি হয়। গেল দুদিন যাবৎ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে পাইকারী ব্যবসায়িরা ফুল নিতে শুরু করেছে ।



