বিএনপি রাজপথ আন্দোলনে থেকে গত ১৭ বছরের দমন-পীড়নে পুড়ে রাজনীতিতে খাঁটি সোনায় আবির্ভূত হয়েছে : আজিজুল বারী হেলাল

রূপসা প্রতিনিধি: কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৭৬ সালে খাল খনন করে পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। সেই পানি কৃষকরা তাদের কৃষিকাজে ব্যবহার করে ফসল ফলাতেন। তিনি ক্ষমতায় থেকে কৃষকদের কল্যাণে যে সকল কৃষক নীতি গ্রহণ করেছিলেন তা আজও প্রশংসার দাবিদার। আমাদের নেতা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীতে ক্ষমতায় এলে তিনি কৃষকের কল্যাণে এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। তিনি কৃষিকে আধুনিকায়ন করতে বর্তমান সময়ের নানামুখী যান্ত্রিকীকরণের সর্বাধিক গুরুত্ব দেবেন। বাংলাদেশের কৃষকদের কৃষি কার্ডের আওতায় না হবে। যার মাধ্যমে তারা সার, বীচ, কীট ভর্তুকি সহ নানাবিধ সুবিধা ভোগ করতে পারবে। কৃষকদেরকে বীমার আওতায় আনা হবে। বিগত দুঃশাসনের মত কোন কৃষককে ২৫ হাজার টাকার জন্য জেলে যেতে হবে না। স্বৈরাচার শাসন আমলে কৃষকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। কৃষিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কৃষকদের উপর নানা রকম জুলুম চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের জন্য কল্যাণকর কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। অথচ বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে কৃষিতে ১৫% অবদান রয়েছে। তিনি আরো বলেন,বিএনপি রাজপথ আন্দোলনে থেকে গত ১৭ বছরের দমন-পীড়নে পুড়ে রাজনীতিতে খাটি সোনায় আবির্ভূত হয়েছে। তাই বিএনপিকে রাজপথে নামতে বাধ্য করবেন না। নির্বাচন নিয়ে কোনরকম টালবাহানা না’করে অচিরেই নির্বাচন দেন। তা না’হলে বিএনপি জানে কিভাবে তাদের অধিকার আদায় করে নিতে হয়। ছাত্র- জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট কে ক্ষমতাচ্যুত করিয়েছি। অন্তর্র্বতী সরকার হিসেবে আপনাদের দায়িত্ব একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়া। কিন্তু তা না’করে আপনারা সংস্কারের নামে বিভিন্ন রকম টালবাহানা করছেন। আজ আপনারা ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু করছেন। তাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কিন্তু স্বৈরাচারীর দোসর দিয়ে কোন অভিযান করে শয়তান দমন করা সম্ভব নয়। পলাতক পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজির সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বলেছে বর্তমান প্রশাসনের শতকরা নব্বই জনই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের । তাই তাদের দিয়ে অভিযান করিয়ে আপনি কাদের দমন করতে চান? এই ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ নামে যদি স্বৈরাচারের দোসরদের দিয়ে কোন বিএনপি’র জামাতের ও ছাত্র-জনতার কাউকে দমন করার চেষ্টা করা হয়। সেটা বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না। আজ সর্বক্ষেত্রে আপনাদের ব্যর্থতা দৃশ্যমান হয়েছে। আপনাদের কর্মকা-ে দেশের মানুষের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। প্রতিটি জিনিসের দাম লাগামহীন। তাই অচিরেই নির্বাচন দিয়ে আপনারা বিদায় নেন। তিনি গতকাল ১১ ফেব্রুয়ারি বিকালে নৈহাটি ইউনিয়নের জাবুসা স্কুল মাঠে ইউনিয়ন কৃষকদল আয়োজিত বিশাল কৃষক সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তৃতা করেন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল। সন্মানিত অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা ওমর ফারুক শামীম।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মন্টু,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডঃ মোমরেজুল ইসলাম,সাবেক আহবায়ক আমির এজাজ খান,সাবেক সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি,জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক জুলফিকার আলী জুলু,মোল্যা খায়রুল ইসলাম,শেখ আঃ রশিদ,এনামুল হক সজল,উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমান,সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা কৃষকদলের সভাপতি মোল্যা কবির হোসেন,কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকতারুজ্জামান তালুকদার সজীব,জেলা যুবদলের আহবায়ক ইবাদুল হক রুবায়েদ,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু,জেলা কৃষকদলের সাধারন সম্পাদক মোঃ আবু সাঈদ শেখ,খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জিএম কামরুজ্জামান টুকু,উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র। উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক শাহ আলম ভূইয়ার সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা তুহিন,জেলা মহিলাদলের সভাপতি তসলিমা খাতুন ছন্দা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রয়েল আজম,মোল্যা এনামুল কবির,আবুল কালাম গোলদার,হূমায়ূন কবীর,ইসমাইল শেখ,রবিউল ইসলাম রবি,ইউনিয়ন বিএনপি নেতা এসএম আঃ মালেক,আনসার আলী বিশ্বাস,খান আনোয়ার হোসেন,মহিউদ্দিন মিন্টু, শরিফুল ইসলাম বকুল, দিদারুল ইসলাম, আজিজুর রহমান, ইলিয়াস হোসেন, সাইফুল ইসলাম পাইক, মিকাইল বিশ্বাস, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, মহিলা দল নেত্রী শাহানাজ ইসলাম, বিএনপি নেতা বাদশা জমাদ্দার, কবির শেখ, মমিনুর রহমান সাগর, কৃষকদল নেতা আসাদুজ্জামান বিপ্লব, গোলাম রসুল, লিটন শেখ, এ্যাডঃ তাফসিরুজ্জামান, শামীম হাসান, কামরুল ইসলাম কচি, জিএম আসাদুজ্জামান, আনিচুর রহমান রনি, মাসুম বিল্লাহ,যুবদল নেতা রিয়াজুল ইসলাম, মুন্না সরদার,সাবেক ছাত্রনেতা খান আলিম হাসান, ওয়াকিদুজ্জামান ডাবলু,জামিল সরদার,খন্দকার শরিফুল ইসলাম,হাকিম কাজী,কামরুজ্জামান নান্টু, সরদার শিহাব হোসেন,জহিরুল হক শারাদ,আসাদ সরদার,খান ওলিয়ার রহমান,আবুল কাশেম কালা, হাফিজুর রহমান, খন্দকার ইমরান হোসেন,ফরহাদ হোসেন,আরিফ মোল্যা,মারুফ হোসেন,মনিশংকর রায়,রনি লস্কর,শাহাজাদা আলমগীর, ইসরাইল বাবু, শাকির আহম্মেদ,আজমল হোসেন লিটন, মনিরা বেগম, শাহিনুর,দাউদ শেখ, আসলাম লস্কর,মনির লস্কর,শারমিন আক্তার আখি,মর্জিনা বেগম, কাকলি ইসলাম,সাইফুল মোল্যা,সেলিম শেখ,শফিক,আবু দাউদ দানিশ, হিরোক গোলদার শামী শেখ,মিজান শেখ, ইখতিয়ার মোল্যা প্রমূখ।



