খুলনার একুশে বই মেলায় মজার মজার গল্প ছড়া ও জোকস বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

# বসন্তের হাওয়া লাগে বই মেলায় #
স্টাফ রিপোর্টারঃ খুলনার ঐতিহ্যবাহী একুশে বইমেলায় ছোটদের নিয়ে লেখা ঝিঙেফুল পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত “মজার মজার গল্প, ছড়া ও জোকস” বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার সন্ধ্যায় বয়রাস্থ বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে মাস ব্যাপী চলমান একুশে বই মেলার মূল মঞ্চে এ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। দৈনিক প্রবাহ পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক খলিলুর রহমান সুমনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু তাহের মোঃ আনিছুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক মোঃ এনামুল হক, খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের (এমইউজে) সভাপতি মোঃ আনিসুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় গণ গ্রন্থাগারের উপ-পরিচালক মোঃ হামিদুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন শিশুদের নিয়ে লেখা বইয়ের লেখক মোঃ জামিরুল ইসলাম। বইটিতে ১০টি ছোট গল্প, ৩২টি ছড়া ও ১৩টি জোকস রয়েছে। মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে মঞ্চের সামনে দর্শক কানায় কানায় পরিপূর্ণ ছিল। লেখক খুলনার আড়ংঘাটা থানার সরদারডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা মৃতঃ মোঃ মোশারফ সরদারের ছেলে। শিশুদের নিয়ে লেখা বইটি তিনি মরহুম বাবা স্মরণে প্রকাশিত করেছেন। এদিকে পহেলা ফাগুনে বই মেলা প্রাঙ্গণে তরুণ-তরুনী জুটি দেখা মেলা। তাদের ফুল নিয়ে একে অন্যকে ভালবাসার বিষয়টি জানায়। ফাগুনের আগুনে জ্বলে ওঠে মেলা প্রাঙ্গণ। হলুদ শাড়ী পড়ে আসে বেশীভাগ তরুণীরা। তারা মেলার জুলাই-আগস্ট স্মৃতি বিজড়িত চত্বরে সাজুগুজি করে ফটোসেশন করে আনন্দ উপভোগ করতে দেখা যায়। লেখক সাহিত্যিক আর কবিদেরও আগমন ছিল চোখে পড়ার মত। পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে মেলার মূল মঞ্চে কোন অনুষ্ঠান না থাকলেও দর্শক সমাগম কমতি ছিল না। লেখক কুঞ্জ ছিল কবিদের উপস্থিতি। পর দু’দিন ছুটি হওয়ায় দর্শক সমাগম অন্য দিনের চেয়ে বেশী ছিল। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারী এ মেলা শেষ হবে। তবে স্টল প্রতিনিধি সুলতান মাহমুদ শ্রাবন বলেন, নগরীর একাধিক স্থানে মেলা হওয়ায় দর্শক সমাগম যেমনটি আশা করছিলাম তেমনটি হয়নি। এদিকে মেলা কর্তৃপক্ষ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, শনিবার অতিবাহিত হলো একুশে বইমেলা খুলনার ১৫তম দিন। শনিবার ছিল ২রা ফাল্গুন। সকাল থেকেই বাসন্তী সাজেসজ্জ্বিত তরুনতরুনীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠতে দেখা যায় বইমেলা প্রাঙ্গণ।বিকালে বইমেলার মঞ্চের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা শুরু হয়‘কেসিসি উইমেন্স কলেজিয়েট স্কুল, রূপসা, খুলনা’র ছাত্রছাত্রীদের পরিবেশিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। পরবর্তীতে অনুষ্ঠিতহয়‘এবংআবৃত্তি’র বাচিক শিল্পীবৃন্দের পরিবেশনায় আবৃত্তি অনুষ্ঠান। মেলা মঞ্চের সান্ধ্যকালীন সাংস্কৃতিক আয়োজনে ছিল ২টি সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনা। প্রথমে পরিবেশিত হয়‘কত্থকনৃত্যাঙ্গন’এর নৃত্য শিল্পীবৃন্দের পরিবেশনায় নৃত্যানুষ্ঠান। সর্বশেষে ‘হাতেখড়ি সাংস্কৃতিক পরিষদ’এর শিল্পীবৃন্দের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেনমোসা: ফারজানাইয়াসমীন ও অনামিকা কুন্ডু।



