ঈদে নতুন নোটের বিনিময় হয়নি খুলনার ব্যাংক পাড়ায়

# ঈদ সেলামীতে নতুন নোটের সংকট #
শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ পবিত্র ঈদে ঈদ সেলামী নতুন নোটের হবে এমন প্রত্যাশা সকলের, তবে এবছর নতুন নোটের বিনিময় হয়নি খুলনার ব্যাংক পাড়াতে। প্রতি বছর বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নোটের বিনিময়ের জন্য ভিড় থাকলেও এবছর হতাশায় ফেরত যেতে হয়েছে গ্রাহকদের। অনেক গ্রাহক বিষয়টি না জানার কারণে ব্যাংক পাড়াতে নতুন নোট নিতে এসে ফিরে গেছেন। তবে ঢাকায় ৮০টি শাখায় ২০ টাকা, ৫০ টাকার নোট ছাড়লেও ও তা খুলনায় আসেনি। মূলত আগের নোট গুলোতে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি থাকায় এ বছর নতুন নোট ছাপানো হয়নি। তবে আগামী মে ,জুন মাসে আবার নতুন নোট আসতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার সামনে টেবিলের উপর চক চকে নতুন টাকার নোটের যেসব বান্ডিল বিনিময় হচ্ছে, সব আগের নোট। এখানে সারা বছর শুধু ছেঁড়া-ফাটা টাকার বিনিময় করে কিছু উপার্জন হয়। ঈদকে সামনে রেখে একটু ভালো বেচাকেনা হলেও নতুন নোটের সংকট রয়েছে টাকা ক্রয়-বিক্রয় কাজে নিয়োজিত মানুষেরা। কথা হয় ছেঁড়া ও নতুন নোট টাকার ব্যবসায়ি অমির এর সাথে। তিনি বলেন, ঈদ সামনে রেখে নতুন টাকার ব্যবসা হয়। আগে ঈদের সময়ে বিনিময় করতাম নতুন নোট গুলো ১০ টাকার বান্ডিল ২০০ টাকায়, ২০ টাকার নতুন নোটের বান্ডিল ১০০ টাকায়, পঞ্চাশ টাকার নতুন নোট ২৫০ টাকায় এবং ১০০ টাকার নোট বিনিময় ১৫০ টাকা কমিশনে। তবে এবছর নতুন নোট না থাকায় বিনিময় হচ্ছে কম। এ বিষয়ে খুলনা খালিশপুর সোনালী ব্যাংক শাখায় কথা হয় গ্রাহক মোঃ আরিম হোসেনের সাথে তিনি জানান, আমি জানিনা যে এ বছর বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন টাকার নোট ছাড়েনি। যেহেতু ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাবে আর ঈদের পর সব খুলবে। তাই আমি এসেছিলাম দশ হাজার টাকার নতুন নোট নিতে। আমি প্রতি বছর নোট নিয়ে থাকি । ঈদে গ্রামে সকলকে ঈদ সেলামী দিতে হবে। বিশেষ করে ছোটদের জন্য।
আর বাংলাদেশ ব্যাংক সামনে ছাড়া পাওয়া যাবেনা। কিছু টাকা কমিশন খরচ হবে। একই কথা বলেন, খুলনা ব্রাক ব্যাংকের গ্রাহক বোরহান তিনি বলেন, আমি জানিনা যে নতুন নোট সংকট। এবছর ছাপানো হয়নি। প্রতি ঈদে নতুন টাকার নোট নেয়া হয় এই ব্যাংক থেকে। এখন বাংলাদেশ ব্যাংকে সামনে যাচ্ছি। এ বিষয়ে কথা হয় পূবালী ব্যাংক দৌলতপুর শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ ওয়াসিফ রেজার সাথে, তিনি জানান, ঈদে নতুন নোটের বিনিময়ের জন্য ব্যাংকে গ্রাহকরা এসেছিল ব্যাংকে তবে নতুন নোট না থাকায় সকলে ফিরে চলে গেছে। এর আগে প্রতি ঈদে আমাদের ব্যাংক গুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন নোট ভাগ করে দিত চাহিদা অনুযায়ী। এবছর নতুন নোট না ছাপানোর কারণে পাওয়া যায়নি। গ্রাহকরা হতাশ হয়ে ফিরে গেছে।



