স্থানীয় সংবাদ

রূপসায় তুচ্ছ ঘটনায় বসতবাড়ি ভাংচুর ও নগদ অর্থসহ স্বর্ণালংকার লুট

# আহত ১০ #

রূপসা প্রতিনিধি ঃ রূপসা উপজেলার বামনডাঙ্গা ও মোল্লাহাট উপজেলার বুড়িগাংনি গ্রামের মিনা ও ফকির বংশের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়ি ঘর ভাংচুর, স্বর্ণালংকার, নগত অর্থ লুটপাট ও বেআইনি ভাবে মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও প্রতাক্ষদর্শি সুত্রে জানাযায় দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত ১৫/২০ জনের একটি দুস্কৃতিকারী দল জনতায়বদ্ধ হয়ে মিনাবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটে অংশ নেয়। ভুক্তভোগী শারিরিক প্রতিবন্ধি মজনু মিনা বলেন ঈদের দিন ৩১ মার্চ (সোমবার) রাত ৭টার দিকে দাড়ির মাথা নামক স্থানে ফাকা মাঠে ঘুরতে যাওয়া আমাদের এক ছেলের সাথে বুড়িগাঙনী এলাকার ফকির বাড়ির এক ছেলের ঝগড়া হয়, তুচ্ছ ওই ঘটনার জেরে রাত ৭টার দিকে বুড়িগাঙনী এলাকার লিয়াকত ফকির ও লিটন ফকিরের নেতৃত্বে ১৫/২০ জন দুস্কৃতিকারীরা আমাদের ছেলেদের মারপিট করে আহত করে। আমরা আমাদের ছেলেদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ছুটাছুটি কালীন সময় পূণরায় ১ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ৮ টার সময় লিয়াকত ফকির ও লিটন ফকিরের নেতৃত্বে ১৫/২০ জন দুস্কৃতিকারী জনতায়বদ্ধ হয়ে আমাদের বাড়ি ঘরে হামলা চালিয়ে বসতঘর ভাংচুর স্বর্ণালংকার ও নগত অর্থসহ ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে।
তাছাড়া বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকার সুযোকে দুস্কৃতিকারীরা বাড়ির পর্দানশীল মহিলাদের শ্লিতাহানি সহ বেদড়ক মারপিট করে রক্তাক্ত ও নিলাফুলা জখম করে। আহতদের রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভর্তি রোগীরা হলেন, আছিয়া বেগম (৭৫), এনামুল মিনা (৫৯), আনোয়ারা বেগম (৪৫), আসলাম মিনা (৫৪), ছাবিনা বেগম ( ৩৫), রাহাত মিনা (২২), মজনু মিনা (৫২),খালিদ মিনা (২৫), আহম্মাদ মিনা (২১) গুরুতর আহত রুগীরা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ব্যাপারে রূপসা থানায় পৃথক পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ওই সব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষের লিয়াকত ফকির ও লিটন ফকির বলেন আমাদের উপর মিনা বাড়ির লোকজন সকাল বেলা হামলা চালিয়ে ছে। আমরা পালিয়ে রক্ষা পেলেও আমাদের অনেকে আহত হয়ে ছে এবং আমাদের দোকান পাট ও নগত অর্থ লুটপাট করেছে। এ ঘটোনায় আমরা মোল্লাহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। থানা পুলিশ ঘটোনা স্থল পরিদর্শন করেছে। রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, ওই ঘটনায় রাতে এবং সকালে পুলিশ গিয়ে ছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক আছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button