বাগেরহাটে আটক ১৭ বিএনপি নেতা-কর্মীকে কারাগারে প্রেরণ

# গ্রেফতারকৃত আসামি ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর হামলা #
বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় গ্রেফতার হওয়া এজাহারনামীয় এক আসামিকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের উপর বিএনপি নেতা কর্মীদের হামলা ও মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আটক ১৭ জন বিএনপি নেতা- কর্মীকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে। কচুয়া থানার এসআই রাকিব বাদী হয়ে ২৭ জনের নাম পরিচয় উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০/১৫০ জন কে আসামী করে
বুধবার কচুয়া থানায় মামলাটি করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (০১ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে কচুয়া উপজেলার গজালিয়া ব্রিজ এলাকায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা পুলিশের উপর এ হামলাসহ ধৃত আসামী ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ওই রাতেই সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে হামলার সঙ্গে জড়িত বিএনপির ১৭ জনকে আটক করে। কচুয়া থানা পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে কচুয়া থানার এসআই আহমেদ কবিরের নেতৃত্বে গজালিয়া ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজী ও মারধর মামলার এজাহার নামীয় আসামি গজালিয়া ইউনিয়ন জাতীয়তাবদী স্বে”্ছাসেবক দলের নেতা এখলাছ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিএনপি নেতা-কর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এতে এসআইসহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত হন। স্থানীয় গজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শিকদার জাকির হোসেন টুটুল ও সাধারণ সম্পাদক শেখ দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা এ হামলা করে বলে দাবি করে স্থানীয়রা। অতর্কিত হামলায় এসআই আহমেদ কবির, এএসআই রাকিব মোল্লা ও কনস্টেবল মো. জাহিদুর রহমান এবং রঞ্জন বিশ্বাস আহত হন। বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম আহসান বলেন, এজাহারনামীয় আসামি এখলাছ শেখকে অভিযান চালিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ওই আসামিকে ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য বিএনপির নেতাকর্মীরা হামলা করে। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে ১৭ জনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে বুধবার বিকেলে কচুয়া থানায় একটি মামলা করেছে। আটক ১৭ আসামীকে বুধবারেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারে জোর অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।



