তেলিগাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলিপ দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত

# মোটরসাইলেযোগে এসে গুলি করে স্থান ত্যাগ করে সন্ত্রাসীরা #
# ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পুলিশ ও সেনাবাহিনীসহ গোয়েন্দা শাখার একাধিক টিম
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি ঃ আড়ংঘাটা থানাধিন তেলিগাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) দিলিপ কুমার সরকার(৫৫)দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছেন। তিনি বাড়ী থেকে কর্মস্থলে আসার পথে মোটরসাইকেলযোগে এসে হেলমেট পরিহিত দুই সন্ত্রসী তাকে লক্ষ করে গুলি করে। এ সময় পার্শবর্তীরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ঘটনাটি ঘটে ১৫ মে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টায় তেলিগাতী সরদারপাড়া জামে মসজিদের সামনে। স্থানীয়রা জানিয়েছে, তেলিগাতী দক্ষিণপাড়ার মৃত নেহার কান্তি সরকারের পুত্র তেলিগাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত) দিলীপ কুমার সরকার প্রতিদিনের ন্যায় ১৫ মে বৃহস্পতিবার সকালে পায়ে হেটে পার্শবর্তী তার কর্মস্থলে উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। তিনি তেলিগাতী সরদার পাড়া জামে মসজিদ সংলগ্নে আসলে মোটরসাইকেল যোগে হেলমেট পরিহিত দুইব্যক্তি তার গতিরোধ করে। এ সময় তিনি দৌড়ে পালাতে গেলে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ করে গুলি ছুড়লে একটি গুলিটি তার বামপায়ে হাটুর উপরে লাগে। গুলির শব্দ শুনে পার্শবর্তীরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রসীরা মোটরসাইকেল নিয়ে তেলিগাতী বাইপাসে দিকে চলে যায়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। আহত শিক্ষকের স্বজনরা জানিয়েছে, জমিজমা বিরোধ এবং কয়েকদিন ধরে কতিপয় সন্ত্রাসী তার নিকট চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় দুর্বৃত্তরা তার ওপর চড়াও হয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে হেটে স্কুলের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। বাড়ি থেকে কিছু দূরে যাওয়া একটি মোটরসাইকেলযোগে হেলমেট পরিহিত দু’জন ব্যক্তি এসে হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময়ে একটি গুলি তার বাম পায়ের হাটুর উপরে বিদ্ধ হয়। গুলির শব্দে স্থানীয়রা এগিয়ে আসে এবং তাকে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় একটি ক্লিনিকে এবং পরবর্তীতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়। স্বজনরা আরো জানায়, তিনি সম্প্রতি আড়ংঘাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন। এর পর থেকে তিনি বেশ কিছু দিন তাকে বেশ চিন্তিত দেখা যাচ্ছিল। এদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে আড়ংঘাটা থানা পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। তারা ঘটনাস্থলে পৌছে রক্তমাখা স্থানটিতে চিহিৃত করে রাখেন। আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) প্রবীর মিত্র জানান, জমিজমা এবং চাঁদা দাবির ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে গুলি করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা সকল বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি। আসামিদের আটকে অভিযান শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান তবে এ রির্পোট লেখা থানায় কোন মামলা হয়নি। পুলিশও ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক করতে পারিনি।



