দৌলতপুরে শাহচন্দ্রপুরী প্রেস হাউজের বকেয়া মজুরী ও কাজের দাবীতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার : দৌলতপুর শাহচন্দ্রপুরী প্রেস হাউজে কোনো পূর্বঘোষণা বা নোটিশ ছাড়া ১৩ নম্বর গোডাউনের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। যা শ্রম আইনের চরম লঙ্ঘন। শ্রমিকের রক্ত ও ঘামে মালিকরা ফুলে ফেঁপে পুঁজিপতি হয়েছে। খান মুজিবুর রহমান কোন পাট ব্যবসায়ী নয়,তিনি ষড়যন্ত্র করে পার্টের প্রেস হাউস ক্রয় করে এখন পাটের কোম্পানিতে পোল্ট্রি মুরগির খামার করার পায়তাঁরা করছে।পাটের কোম্পানিতে পাটের কাজ চালাতে হবে।বিক্ষোভে শ্রমিক নেতারা এ সব কথা বলেন, পাট ব্যবসায়ীরা প্রেস হাউস ও শ্রমিক দেখিয়ে ব্যাংক লোন নিয়ে কাজ না করে অন্যত্র টাকা সরিয়ে আত্মসাৎ করছে। তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। বিনা নোটিশে হঠাৎ কাজ বন্ধ,৩ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকার মজুরি বকেয়া, পথে বসেছে শাহচন্দ্রপুরী প্রেস হাউজের ১৩ নম্বর গোডাউনের অন্তত ১৬০ জন শ্রমিক। এই চক্রান্তমূলক অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে,দাবির ভাষা রাস্তায় উচ্চারিত হয়েছে।আমাদের ঘাম শুকায়নি, আমাদের পাওনাও শুকাতে দেওয়া হবে না। বক্তারা বলেন, আমরা সোনার বাংলাদেশ গড়ার শ্রমিক, অথচ আমাদেরই ঘরে চুলা জ্বলে না। আমাদের মজুরি আটকে রেখেছে মালিকপক্ষ, অথচ তারা কোনো দায় নিচ্ছে না। শ্রমিকদের হুঁশিয়ারি, এই দাবির জবাব যদি শান্তিপূর্ণভাবে না আসে, তাহলে আমরা পরবর্তী কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো। রবিবার (১৮ মে) সকাল ১০টায় খুলনা-যশোর মহাসড়কের রেলিগেট মোড়ে দৌলতপুর জুট প্রেস অ্যান্ড বেলিং ওয়ার্কাস ইউনিয়ন (রেজি. নং-১১৫৫) এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ। সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিঠু। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা সুজন শেখ, আফজাল জমাদ্দার, আবুল কালাম, সালাম খাঁ, নাসির মুন্সি এবং অন্যান্য প্রেস হাউজের শ্রমিক প্রতিনিধিরা। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন শ্রমিক প্রতিনিধি মো. ইকবাল হোসেন, মোস্তফা আকন্দ এবং প্রেস হাউজের সব বিভাগে কর্মরত সহকর্মীরা।



